ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক মজুদে টান
জেরুজালেমের উপকণ্ঠে স্থাপন করা আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র ইন্টারসেপ্টর ব্যাটারির পাশে দাঁড়িয়ে আছে ইসরায়েলি সৈন্যরা
ইরানের সঙ্গে সংঘাত চলমান থাকায় ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে জানিয়েছে, তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিরোধক ব্যবস্থার মজুদ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সেমাফোর অজ্ঞাতনামা মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করে। খবর তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলুর।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ওয়াশিংটনকে জানিয়েছে যে তাদের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ইন্টারসেপ্টরের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
গত বছর ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পর থেকেই ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর মজুদ কম ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ইরানের ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ইসরায়েলের দূরপাল্লার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইরান কিছু ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার মিউনিশন (গুচ্ছ বোমা) যোগ করতে শুরু করেছে, যা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
সেমাফোরকে একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ওয়াশিংটন কয়েক মাস ধরেই ইসরায়েলের এই সীমিত সক্ষমতা সম্পর্কে জানত এবং এমন পরিস্থিতির পূর্বাভাস পেয়েছিল। তিনি আরও জানান. যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ইন্টারসেপ্টর মজুদে এই ধরনের কোনো ঘাটতি নেই।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। ওই হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৩০০ জন নিহত হয়েছেন।
এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় হতাহতের পাশাপাশি অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ঢাকা/ফিরোজ
ইরানের জব্দকৃত ২০ বিলিয়ন ডলার ছেড়ে দেবে যুক্তরাষ্ট্র