ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ||  বৈশাখ ১৭ ১৪৩৩ || ১২ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য এফেয়ার্সের সাক্ষাৎ

বিশেষ প্রতিবেদক  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:০০, ৩০ এপ্রিল ২০২৬   আপডেট: ১৫:০১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য এফেয়ার্সের সাক্ষাৎ

সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য এফেয়ার্স মিচেল লি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য এফেয়ার্স মিচেল লি।

বৃহস্প‌তিবার (৩০ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর অফিসকক্ষে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই পক্ষের সহযোগিতা জোরদারের নানা দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

আরো পড়ুন:

বৈঠকে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব আরো বিস্তৃত ও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন বিষয়ে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। শিক্ষা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ‘দক্ষতা বৃদ্ধি ও ক্যারিয়ার গঠন-কে প্রাধান্য দিয়ে প্রযুক্তিভিত্তিক, যুগোপযোগী এবং কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা’ কে সামনে রেখে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে সিঙ্গাপুরের সহযোগিতা সম্প্রসারণে আহ্বান জানান তিনি। 

অন্যদিকে, সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য এফেয়ার্স বলেন, শিক্ষা খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে সিঙ্গাপুর প্রস্তুত রয়েছে। বিশেষ করে সরকারি কর্মকর্তা ও শিক্ষা প্রশাসনের প্রতিনিধিদের জন্য স্টাডি প্রোগ্রাম আয়োজনের মাধ্যমে সিঙ্গাপুরের শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।” 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় মৌলিক সাক্ষরতা ও সংখ্যাজ্ঞান (Foundational Literacy and Numeracy-FLN) উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে পাঠ অনুধাবন, শ্রবণ দক্ষতা, কথোপকথন, লেখা এবং ভাষাগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ নতুনভাবে কাজ করতে চায়। এ বিষয়ে সিঙ্গাপুরের প্রাথমিক শিক্ষার পাঠ্যক্রম বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত কার্যকর ও সুপরিকল্পিত হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় বাংলাদেশ তা থেকে অভিজ্ঞতা অর্জনে আগ্রহ প্রকাশ করে।”

উভয়পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, যৌথ উদ্যোগ ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের উন্নয়ন সহযোগিতা আরো গতিশীল হবে।

এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক দেবব্রত চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা/নঈমুদ্দীন/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়