ঢাকা     শনিবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২৩ ||  মাঘ ১৫ ১৪২৯

পরীমনির অব্যাহতির শুনানিতে যা বললেন আইনজীবী

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১২:৪৬, ৫ জানুয়ারি ২০২২  
পরীমনির অব্যাহতির শুনানিতে যা বললেন আইনজীবী

আদালত প্রাঙ্গণে পরীমনি। ছবি: মামুন খান

রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের করা মাদক মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেছেন আদালত। এর ফলে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

বুধবার (৫ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক নজরুল ইসলামের আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।  একই সাথে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেন আদালত।  বিচার শুরু হওয়া অন‌্য দুই আসামি হলেন-পরীমনির সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দিপু ও মো. কবীর হাওলাদার।

এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পরীমনি আদালতে হাজির হন।  এরপর শুনানি হয়।  অ্যাডভোকেট নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, ‘পরীমনিসহ আসামিরা একটি বিশেষ মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার।  তাদের বাসা থেকে কিছু খালি মদের বোতল জব্দ করা হয়।  তার বাসা থেকে মাদক উদ্ধার প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়া সত্বেও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রকারীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আদালতে একটি ত্রুটিপূর্ণ তদন্তের অভিযোগপত্র আদালতের সামনে হাজির করেছেন।’

নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী বলেন, ‘এটি একটি সাজানো মামলা।  আসামিদের বিরুদ্ধে যে ধারার অভযোগ আনা হয়েছে তা তাদের সাথে যায় না। আমার মনে হয়, এই মামলা থেকে অব্যাহতি না পেলে পরীমনিসহ আসামিরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন। আর এই মামলার আসামি কবির হাওলাদার এখানে বসবাস করেন না। তিনি বেড়াতে এসেছিলেন। তাকে এই মামলার সঙ্গে যুক্ত রাখার কোনো কারণ নেই।’

রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু আদালতকে বলেন, এটা বহুল আলোচিত একটি মামলা। দেশের গণমাধ্যম ও পত্রপত্রিকায় এই ঘটনার সংবাদ শুরু সারাদেশে নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।  আসামিদের অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাদের বাসা থেকে র‌্যাব মাদক উদ্ধারসহ যথাযথ আইন মেনে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে আসামিদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে।  তাই এই মামলায় তাদের শাস্তি পাওয়ার জন্য আইনানুগ বিচার শুরু হওয়া প্রয়োজন। এজন্য অভিযোগ গঠনের মধ্যদিয়ে মামলার বিচার শুরুর আবেদন জন্য বিজ্ঞ আদালতের কাছে প্রার্থনা করছি।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়।  এরপর তাদের জিজ্ঞাসা করা হয়, তারা দোষী না নির্দোষ। এ সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। এরপর আদালত অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করে দেন।

/মামুন/এসবি/

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়