ঢাকা     শনিবার   ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  ফাল্গুন ১৫ ১৪৩২ || ১০ রমজান ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

শ্যাম্পুর দোষ নাকি ভিটামিনের অভাবে চুল পড়ছে?

লাইফস্টাইল ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:০৮, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ০৯:১৭, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শ্যাম্পুর দোষ নাকি ভিটামিনের অভাবে চুল পড়ছে?

ছবি: প্রতীকী

ভালো শ্যাম্পু–কন্ডিশনার ব্যবহার করছেন, মাঝেমধ্যে স্পাও করাচ্ছেন—তারপরেও চুল পড়া কমছে না? সিঁথি ধীরে ধীরে চওড়া হয়ে যাচ্ছে, নতুন চুলও গজাচ্ছে না? এমন হলে শুধু প্রসাধনীর ওপর ভরসা করলে চলবে না। চুলের সুস্থ বৃদ্ধির জন্য ভেতর থেকে পুষ্টি জোগানো জরুরি। বিশেষ করে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিনের ঘাটতি চুল পড়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।প্রসাধনীকে দোষ দেওয়ার আগে জেনে নিন—কোন ভিটামিনগুলো চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক।

ভিটামিন এ
ভিটামিন এ চুলের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। এটি স্ক্যাল্পে সেবাম উৎপাদনে সাহায্য করে। এই প্রাকৃতিক তেল স্ক্যাল্প ও চুলে আর্দ্রতা ধরে রাখে, শুষ্কতা কমায় এবং মাঝখান থেকে চুল ভেঙে যাওয়ার সমস্যা রোধ করে। পাশাপাশি চুলের ফলিকল গঠনে সহায়তা করে ও চুল পড়া প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
উৎস: গাজর, কুমড়ো, পালংশাকসহ বিভিন্ন সবজি।

ভিটামিন বি
ভিটামিন বি স্ক্যাল্পের কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করে। বিশেষ করে বায়োটিন (ভিটামিন বি৭) চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌঁছে দেয় এবং কেরাটিন উৎপাদনে সাহায্য করে। এর ফলে চুলের গোড়া মজবুত হয় এবং চুল পড়া কমে।
উৎস: ডিম, বাদাম, বিভিন্ন বীজ, কলা, অ্যাভোকাডো।

ভিটামিন সি
ভিটামিন সি শুধু ত্বকের জন্য নয়, চুলের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের ফলিকলকে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে এবং অকাল পাকা প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়া কোলাজেন উৎপাদনে ভিটামিন সি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা চুলের গঠন মজবুত করে।
উৎস: লেবুজাতীয় ফল, কিউই, বেলপেপার, স্ট্রবেরি, টমেটো।

ভিটামিন ডি
ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি থাকলে চুল পড়া বাড়তে পারে। এই ভিটামিন চুলের ফলিকলের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। শরীরে এর ঘাটতি পূরণে নিয়মিত সকালবেলার রোদে কিছুক্ষণ থাকা উপকারী। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যেতে পারে।
উৎস: গোরুর দুধ, ডিম, মাশরুম।

ভিটামিন ই
ভিটামিন ই শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এটি স্ক্যাল্পের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, ফলিকলকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং নতুন চুল গজাতে সহায়তা করে।
উৎস: আমন্ড, সূর্যমুখীর বীজ, পালংশাক, অ্যাভোকাডো।

চুলের যত্ন শুধু বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেও নিতে হবে। সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি পান এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ—এই তিনটি বিষয় মেনে চললেই চুল থাকবে ঘন, মজবুত ও প্রাণবন্ত।

ঢাকা/লিপি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়