ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ||  বৈশাখ ৩ ১৪৩৩ || ২৭ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

১০ মিনিটে ঘর গোছাতে ‘মিনিমালিস্ট থেরাপি’ কাজে লাগান

লাইফস্টাইল ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৮:৫৯, ১৬ এপ্রিল ২০২৬   আপডেট: ০৯:০৮, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
১০ মিনিটে ঘর গোছাতে ‘মিনিমালিস্ট থেরাপি’ কাজে লাগান

মিনিমালিস্ট থেরাপিতে ঘর সাজানো সহজ। ছবি: প্রতীকী

ড্রয়ারের ভেতর, আলমারির তাকে, কিংবা কিচেনের তাকজুড়ে অনেক সময় অতিরিক্ত জিনিস জমে থাকে। এসব জিনিস শুধু জায়গাই দখল করে না, আমাদের মনকেও অগোছালো করে তোলে। মাত্র ১০ মিনিটে সামান্য কিছু পরিবর্তনেই ঘর হতে পারে আরও প্রশস্ত, পরিচ্ছন্ন এবং শান্তিময়। এই সহজ প্রক্রিয়াকেই বলা হচ্ছে “মিনিমালিস্ট থেরাপি”—যেখানে কম জিনিসে বেশি স্বস্তি খুঁজে নেওয়াই মূল লক্ষ্য। চলুন, আজই ঘর থেকে বিদায় জানাই এমন ১০টি জিনিসকে, যা আর আপনার জীবনে কোনো মূল্য যোগ করছে না।

পুরানো ওষুধের পাতা ও এক্সপায়ারড প্রসাধনী
ড্রয়ারে পড়ে থাকা মেয়াদোত্তীর্ণ লোশন বা খালি ওষুধের পাতা শুধু অপ্রয়োজনীয়ই নয়, স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি করতে পারে। এগুলো ফেলে দিন, জায়গা ও নিরাপত্তা—দুটোই নিশ্চিত করুন।

আরো পড়ুন:

অকেজো ইলেকট্রনিক্স ও ছেঁড়া চার্জার
নষ্ট হেডফোন, কাজ না করা চার্জার—“কখনো ঠিক করব” ভাবনায় রেখে দেওয়া এসব জিনিস সাধারণত আর ব্যবহারে আসে না। আজই বিদায় দিন।

এক বছরের বেশি সময় না পরা কাপড়
যে জামাটি এক বছরেও একবার পরা হয়নি, সেটি সম্ভবত আর পরা হবে না। এগুলো দান করুন—আপনার আলমারি হালকা হবে, অন্যের উপকারও হবে।

খালি প্লাস্টিকের কৌটা ও কাঁচের বোতল
“কাজে লাগবে” ভেবে জমিয়ে রাখা এসব জিনিস অধিকাংশ সময়ই অকেজো থাকে। প্রয়োজনের বাইরে সব সরিয়ে ফেলুন।

পুরানো খবরের কাগজ ও ম্যাগাজিন
পড়া হয়ে গেলে জমিয়ে রাখার দরকার নেই। রিসাইকেলে দিন—পরিবেশও বাঁচবে, ঘরও গুছবে।

ফিট না হওয়া বা জীর্ণ জুতো
যে জুতো আর পায়ে ফিট হয় না, তা শুধু জায়গা দখল করে। এগুলো সরিয়ে দিন বা রিসাইকেল করুন।

অপ্রয়োজনীয় উপহার বা শোপিস
সব শোপিস ঘরের সৌন্দর্য বাড়ায় না—কিছু কিছু উল্টো বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। বেছে রাখুন, বাকিগুলো সরান।

পুরানো ক্যালেন্ডার ও ডায়েরি
স্মৃতি থাকুক মনে বা পাতায়, দেয়ালে নয়। পুরানো ক্যালেন্ডার সরিয়ে নতুন বছরের জায়গা করে দিন।

অব্যবহৃত রান্নার সরঞ্জাম
মরিচা ধরা বা কখনো ব্যবহার না করা কিচেন টুলস আপনার রান্নাঘরকে শুধু জটিল করে তোলে। প্রয়োজনীয়টুকুই রাখুন।

ভাঙা বালতি বা মগ
বাথরুমে ফাটা বা ভাঙা জিনিস শুধু অস্বস্তিকরই নয়, অনেকের মতে নেতিবাচক অনুভূতিও তৈরি করে। এগুলো বদলে ফেলুন।

এই ১০টি ছোট পদক্ষেপ নেওয়ার পর আপনি লক্ষ্য করবেন—ঘর হয়ে উঠেছে আরও খোলামেলা, জিনিস খুঁজে পাওয়া সহজ এর মনটা অদ্ভুতভাবে হালকা লাগছে। মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, এমন কাজ সম্পন্ন করার পর আমাদের মস্তিষ্কে “অ্যাকমপ্লিশমেন্ট ডোপামিন” নিঃসৃত হয়—যা আমাদের ভালো অনুভূতি দেয় এবং আরও গুছিয়ে চলতে উৎসাহিত করে।

ঢাকা/লিপি

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়