ভুটানের মধ্যে বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর
বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে বাণিজ্য ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে আঞ্চলিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় যৌথ উদ্যোগে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন উভয় দেশের জন্য লাভজনক হতে পারে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কর্মা হামু দর্জির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত জিডিপি প্রায় ৫৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার হওয়া সত্ত্বেও পারস্পরিক বাণিজ্য মাত্র ১ শতাংশের কাছাকাছি। এই বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করা অপরিহার্য।
বৈঠকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌর ও জলবিদ্যুৎ খাতে যৌথ বিনিয়োগের ওপর জোর দেওয়া হয়। মন্ত্রী বলেন, সীমান্তের নিকটবর্তী এলাকায় জলবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন পারস্পরিকভাবে লাভজনক হতে পারে।
এসময় ভুটানের রাষ্ট্রদূত বাণিজ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ায় খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভুটানের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক বেশ নিবিড়। এ সম্পর্ক আরো জোরদারে তারা আগ্রহী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বুড়িমারি সীমান্ত থেকে ভুটানের দূরত্ব ১০০ কিলোমিটারের কাছাকাছি। নিকটবর্তী দেশ হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সুবিধাজনক ও লাভজনক।
রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে তাদের শিক্ষার্থীরা পড়তে আসেন এবং ভুটানে ফিরে সে দেশের মানুষের সেবায় নিয়োজিত হন। এতে করে দুই দেশের সংস্কৃতিরও বিনিময় হচ্ছে।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) আয়েশা আক্তার এবং ভুটানের মিনিস্টার কাউন্সিলর (ট্রেড) দাওয়া শেরিং উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা/এএএম/ফিরোজ