কমলাপুর স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়
ছবি: সংগৃহীত
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কমলাপুর রেল স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। এই ব্যস্ততার মধ্যে উত্তরাঞ্চলগামীসহ পাঁচটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে হাজারো যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকেই যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায় স্টেশনে। মানুষের ভিড় এত বেশি ছিল যে, স্টেশনের বাইরের পার্কিং এলাকা থেকে ঘরমুখো মানুষের দীর্ঘ লাইন শুরু হয়েছে। নাশকতা ও বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণ ঠেকাতে স্টেশনে বাঁশের তৈরি বিশেষ চেকিং বেরিকেডসহ কয়েক স্তরের নিরাপত্তা পার হয়ে যাত্রীদের প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে হচ্ছে।
এদিকে, উত্তরাঞ্চলগামী ট্রেনগুলোর সময়সূচি সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত হয়েছে। নীলসাগর এক্সপ্রেস সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটের পরিবর্তে সকাল ৮টা ১০ মিনিটে স্টেশন ছেড়ে যায়। ধূমকেতু এক্সপ্রেস আধা ঘণ্টা পিছিয়ে সকাল সাড়ে ৬টায় যাত্রা শুরু করে। রংপুর এক্সপ্রেস সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে আসেনি। এটির সম্ভাব্য সময় দেওয়া হয়েছে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট (দেড় ঘণ্টা বিলম্ব)।
এছাড়া, তিতাস কমিউটার ট্রেনটি সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও বিলম্বিত শিডিউল দেওয়া হয়েছে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে। একতা এক্সপ্রেস সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ছাড়ার সময় থাকলেও নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ার পরও প্ল্যাটফর্মে এসে পৌঁছায়নি।
কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মো. কবীর উদ্দীন জানান, সামগ্রিকভাবে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রয়েছে। অধিকাংশ ট্রেনই সঠিক সময়ে ছেড়ে গেছে।
কয়েকটি ট্রেনের বিলম্বের পেছনে প্রধান দুটি কারণ উল্লেখ করেছেন তিনি। কিছু ট্রেনের ক্ষেত্রে যান্ত্রিক ও ক্রু-সংক্রান্ত কারণে ৪০ মিনিট পর্যন্ত দেরি হয়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় রেললাইনের ওপর স্থানীয়রা খড় শুকানোর কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রেনগুলোকে গতি কমিয়ে (ধীরগতিতে) চালাতে হচ্ছে। যে কারণে ঢাকায় পৌঁছাতে ট্রেনগুলোর দেরি হচ্ছে বলে জানান তিনি।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ২৫ মে কমলাপুর স্টেশন থেকে মোট ৬৭টি ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে, যার মধ্যে ৪৪টি আন্তঃনগর এবং বাকিগুলো মেইল ও কমিউটার ট্রেন। সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় আগামী দিনগুলোতে যাত্রীচাপ আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঢাকা/এমআর/মাসুদ
কালশীর বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে