স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির বিদ্রোহী ও বহিষ্কৃতদের টার্গেট এনসিপির
রায়হান হোসেন || রাইজিংবিডি.কম
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে নিজেদের অবস্থান আরো পাকাপোক্ত করার জন্য বিভিন্ন কৌশলে এগোচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বিভিন্ন সময়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ও বিদ্রোহীদের দলে পদ ও মনোনয়ন দিয়ে তৃণমূলে এনসিপির রাজনীতি পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে দলটি।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) এনসিপির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কাজ করছেন তারা। ইতোমধ্যেই পাঁচটি সিটি করপোরেশন প্রার্থী ঘোষণা করছে দলটি। শিগগিরই বাকি সিটি কর্পোরেশনগুলোর প্রার্থী যাচাই বাছাই শেষ করে ঘোষণা করা হবে। দলের কলেবর বৃদ্ধিতে কাজ করছে এনসিপি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ দুপুরে একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের অনেক পরিচিত মুখ যুক্ত হচ্ছেন এনসিপির সঙ্গে।
নড়বড়ে তৃণমূল সাজাতেই বিএনপির বিদ্রোহী ও বহিষ্কৃতদের টার্গেট এনসিপির
তৃণমূলের নড়বড়ে ভিত মজবুত করতেই বিভিন্ন সময় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ও বিদ্রোহীদের দলে ভেড়াতে চাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
এনসিপির এখন পর্যন্ত ইউনিয়ন পর্যায়ে কোনো কমিটি নেই। উপজেলায় যা আছে তা নামমাত্র। ১৭ জেলায় কোনো আহ্বায়ক কমিটি নেই। বাকিগুলোও আংশিক।
এদিকে বিএনপির থেকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৭৮টি আসনে ৯২ জন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ছিলেন। তাদেরসহ তিন শতাধিক নেতা দল থেকে বহিষ্কৃত হন। এদের মধ্যে সাতজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
এনসিপির সূত্র জানায়, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত এই নেতাদের স্থানীয় পর্যায়ে শক্তিশালী কর্মীবাহিনী ও ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। যেহেতু তাদের বিএনপিতে ফেরার সম্ভাবনা ক্ষীণ, তাই তাদের এনসিপিতে যুক্ত করতে পারলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভালো ফল পাওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব পদমর্যাদার এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ঢাকা-৭ আসন থেকে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করার কারণে দল থেকে বহিষ্কার হওয়া জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইসহাক সরকার এনসিপিতে দেওয়ার কথা রয়েছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করার বাকি।
এছাড়াও গত ৯ এপ্রিল সংসদে পাস হয়েছে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) সংশোধন বিল-২০২৬। এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাতিল করা হয়েছে। ফলে ভোটে প্রতীকের যে বিশেষ পরিচিতি সেটা এখন হবে না। এক্ষেত্রে এনসিপি যদি প্রার্থী বাছাইয়ে বিএনপির বিদ্রোহীদের বেছে নেয়, তাহলে তাদের জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনি পরিচালনা কমিটির সভাপতি সারজিস আলম রাইজিংবিডি ডটকমকে বলেন, “রাজনৈতিক দল হিসেবে এনসিপির যাত্রা শুরু হয়েছে এক বছর আগে। আমরা দেশের সকল মানুষ যারা বাংলাদেশের জন্য কাজ করতে চায়, মানুষের জন্য কাজ করতে চায়, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে যারা লড়াই করতে চায় এবং আগামীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে যারা অংশগ্রহণ করতে চায়, তারা পূর্বে যেকোনো দলেরই হোক না কেন, তাদের জন্য আমাদের দরজা সব সময় খোলা।”
ফৌজদারি অপরাধ, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িতদের ঠাঁই হবে না
রাজনীতিতে নতুন বন্দোবস্তের কথা বলছে জাতীয় নাগরিক পার্টি। এই ধারা অব্যাহত রাখতে দলটির নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, যারা নতুন করে দলে যুক্ত হবে তাদের রাজনৈতিক পরিচয়ই যথেষ্ট নয়, থাকতে হবে স্বচ্ছ ও কলঙ্কমুক্ত ব্যক্তিগত জীবন। বিশেষ করে ফৌজদারি অপরাধের রেকর্ডধারী, জনস্বার্থবিরোধী চাঁদাবাজ কিংবা সন্ত্রাসের রাজনীতির সঙ্গে বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা আছে এমন কোনো ব্যক্তির এনসিপিতে ঠাঁই হবে না।
এনসিপির সূত্র জানায়, দলে যুক্ত হতে হলে ক্লিন ইমেজের হতে হবে। রাজনীতির নামে অপরাধী চক্রের পুনর্বাসন করবে না এনসিপি। যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী, বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি করে চায় তাদেরকে এনসিপিতে স্বাগত জানানো হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের যদি নিজের দলে এনসিপি টানতে পারে তাহলে তাদের জন্য একটা গেম চেঞ্জ বিষয় হবে।
এনসিপিতে যোগদিতে রুমিন ফারহানার সঙ্গে যোগাযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির সাবেক নেত্রী রুমিন ফারহানাকে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগদানের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে তিনি নিজেই জানিয়েছেন।
গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) জার্মানভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলের (বাংলা) টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।
তিনি জানান, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে। এনসিপির পক্ষ থেকেও তাকে দলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রুমিন ফারহানা বলেন, বিএনপি ছেড়ে দেওয়া বা বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়ে যাওয়ার পরে অবশ্যই অন্য অনেক দল অ্যাপ্রোচ করবে। সেই ধারাবাহিকতায় এনসিপিও কিছুটা করেছে। ওরা বারবারই বলেছে, “আপা চলে আসেন আমাদের সঙ্গে। আসেন আমরা একসঙ্গে কাজ করি। আপনি জুলাই মাঠে ছিলেন। আপনার বাসা ভাঙচুর হয়েছে। আপনি একজন ফ্রন্টলাইনার। তাই আপনি আমাদের সঙ্গে যুক্ত হন। আমি তাদের এপ্রোচে হেসেছি। এটা নিয়ে কথা বাড়াইনি।”
এনসিপিতে যোগ দিলে সংসদে কথা বলার আরো স্পেস তৈরি হবে কিনা এমন প্রশ্নে রুমিন ফারহানা বলেন, “শুধু কথা বলার সুযোগের জন্য আমি কোনো জোটে যোগ দেব না। কথা বলার জন্য অসংখ্য প্ল্যাটফর্ম আছে, সেখানে আমি কথা বলতে পারি। কিন্তু আমার নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ, চিন্তাভাবনা ও পরিকল্পনা বিসর্জন দিয়ে কেবল সংসদে দুই মিনিট কথা বলার সুযোগ পাওয়ার জন্য কোনো দলে যোগ দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত রাইজিংবিডি ডটকমকে বলেন, “জুলাই আন্দোলনের ভূমিকা ছিল এমন পরিচিত মুখ এনসিপি সঙ্গে চাইবে এটা স্বাভাবিক। তবে তার (রুমিন ফারহানা) যুক্ত হওয়ার বিষয়ে আমার ব্যক্তিগতভাবে কিছু জানা নেই।”
জুলাইয়ের আরো পরিচিত মুখ যুক্ত হচ্ছে এনসিপিতে
জুলাই আন্দোলনে ভূমিকা রাখা অনেকে পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন কারণে নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছিল। কিন্তু এখন সবকিছু ভুলে জাতীয় স্বার্থে ধীরে ধীরে আবারো জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যুক্ত হচ্ছেন অনেকে পরিচিত মুখ। এরই ধারাবাহিকতায় জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও আপ বাংলাদেশের আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, মুখ্য সমন্বয়কারী রাফে সালামান রিফাত, মুখপাত্র শাহরীন সুলতানা ইরা, কেন্দ্রীয় যুগ্ম প্রধান সংগঠক ও নির্বাহী সদস্য ফায়াজ শাহেদসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা যোগদান করছেন এনসিপিতে।
এনসিপির দলীয় সূত্র জানায়, ফায় দফায় দীর্ঘ মিটিংয়ের পর অবশেষে এনসিপিতে আসতে চলেছেন জুনায়েদ-রিফাতসহ আপ বাংলাদেশের বড় অংশ। রবিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরের সংবাদ সম্মেলন আনুষ্ঠানিকভাবে সেই ঘোষণা আসতে পারে। এছাড়াও বড় চমক থাকতে পারে আজকের সংবাদ সম্মেলনে।
আপ বাংলাদেশের এক কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আপ বাংলাদেশের সুপার ফাইভের তিনজনই এনসিপিতে যাচ্ছেন। তাদের বাইরে কেন্দ্রীয় কমিটির অন্তত ৩০ সদস্য এনসিপিতে যোগ দিতে পারেন। পরবর্তী ধাপে তৃণমূলের পর্যায়ের এনসিপির কমিটিগুলো বর্ধিত করার সময় আপ বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের সেসব কমিটিতে যুক্ত করা হবে।
এদিকে শনিবার (১৮ এপ্রিল) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়ার সঙ্গে বৈঠকের ছবি শেয়ার করেন ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের (আপ বাংলাদেশ) সাবেক প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাত। পোস্টে তিনি সংগঠনটি থেকে বিদায়ের কথা জানান ।
পোস্টে রাফে সালমান রিফাত লেখেন, আপ বাংলাদেশের সঙ্গে প্রায় এক বছরের দীর্ঘ যাত্রায় তিনি অর্জন করেছেন নানা অভিজ্ঞতা যেখানে ছিল উত্থান-পতন, সংগ্রাম এবং আত্মবিশ্লেষণের মুহূর্ত।
পোস্টে তিনি আরো লিখেন, বিশেষ করে জুলাইকে কেন্দ্র করে দেশের কল্যাণে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার চেষ্টা করেছেন। এখন আবারো তারা ঐক্যের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন এবং সামনে একটি নতুন যাত্রার সূচনা হতে যাচ্ছে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী জাতি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
বিদায়ী বার্তায় রাফে সালমান রিফাত ‘আপ বাংলাদেশ’ এর সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করেন। একইসঙ্গে এনসিপি আরো শক্তিশালী হয়ে উঠুক নতুন পথচলায় এমন শুভকামনা জানান।
৭ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থী আলোচনায় রয়েছেন যারা
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইতোমধ্যেই তোরজোর শুরু করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গত ২৯ মার্চ পাঁচ সিটি প্রার্থী ঘোষণা করেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
এনসিপির দলীয় সূত্র বলেছে, আজ দুপুরের সংবাদ সম্মেলন থেকেও বাকি ৭ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রার্থীর ঘোষণা আসতে পারে।
এই ৭ সিটি করপোরেশনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন যারা, তারা হলেন: রংপুর সিটি করপোরেশনের জন্য আলোচনায় রয়েছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, চট্টগ্রামে করপোরেশনের আলোচনায় রয়েছেন সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ আসন থেকে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী দলের যুগ্ম প্রধান সংগঠক জোবায়েরুল হাসান আরিফ। তবে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম বেশি আলোচনায় রয়েছেন। কারণ হিসেবে সম্প্রতি এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ তার বাসায় গিয়ে এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন বলে দাবি অনেকের।
এছাড়া খুলনা সিটি করপোরেশনে যুগ্ম সদস্য সচিব ফারিদুল হক, বরিশালে সিটি করপোরেশনে কেন্দ্রীয় নেতা আসাদ বিন রনি, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে আশিকিন আলম ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে জেলা সমন্বয়ক শওকত আলী, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে আইনজীবী আলী নাসের খানের নাম আলোচনায় রয়েছে।
ঘোষিত পাঁচ সিটির এনসিপির প্রার্থীরা হলেন
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া৷, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম, রাজশাহী সিটি করপোরেশনে মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক মো. মোবাশ্বের আলী এবং সিলেট সিটি করপোরেশনে মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক আবদুর রহমান আফজাল।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির বিদ্রোহী ও বহিষ্কৃতদের দলে পদ ও মনোনয়ন দেওয়া বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সভাপতি সারজিস আলম রাইজিংবিডি ডটকমকে বলেন, “রাজনৈতিক দল মত যে কারো থাকতেই পারে। শুধু বিএনপি নয় অন্য যে কোনো রাজনৈতিক দলেরও বহিষ্কৃত হোক বা বঞ্চিত হোক সবাই আসতে পারে। তবে কারো বিরুদ্ধে যদি কোনো ফৌজদারী অপরাধ না থাকে, তার যদি গ্রহণযোগ্যতা থাকে, তাহলে তাদের জন্য এনসিপির দরজা সবসময় উন্মুক্ত থাকবে। আমরা প্রত্যাশা করি যে, এই ধরনের বাংলাদেশি মানুষদের সমন্বয়ে প্রতিনিয়ত এনসিপির পরিসর বৃদ্ধি পাবে এবং আমরা আগামীতে বাংলাদেশের নেতৃত্বের জন্য এনসিপিকে গড়ে তোলার ও সাংগঠনিকভাবে ভিত্তিটাকে শক্তিশালী করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”
ঢাকা/রায়হান/ফিরোজ