বিপিএল ফাইনালে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে চট্টগ্রাম
ঢাকার মিরপুরে আজ অপেক্ষা করছে বিপিএলের আরেকটি ইতিহাসের রাত। দ্বাদশ আসরের ফাইনালে ভাগ্য পরীক্ষার প্রথম ধাপেই এগিয়ে গেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে বল হাতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলটির অধিনায়ক শেখ মাদেহী হাসান। ফলে শুরুতেই ব্যাট হাতে নামতে হচ্ছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে।
এই দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন নয়। চলতি আসরে লিগ পর্ব ও কোয়ালিফায়ার মিলিয়ে তিনবার মুখোমুখি হয়েছে তারা। পরিসংখ্যানে সামান্য হলেও এগিয়ে চট্টগ্রাম- দুটি ম্যাচে জয়, একটি রাজশাহীর ঝুলিতে।
তবে ফাইনালের মঞ্চে পরিসংখ্যান নয়, ইতিহাস বদলের তাগিদই বড় অনুপ্রেরণা। রাজশাহী ফ্র্যাঞ্চাইজি এর আগে একবার (২০১৯ সালে), বিপিএলের ট্রফি জয়ের স্বাদ পেয়েছে। আজ জিততে পারলে সেটি হবে তাদের দ্বিতীয় শিরোপা। অন্যদিকে চট্টগ্রামের সামনে সুযোগ একেবারেই ভিন্ন- বিপিএলের দীর্ঘ যাত্রায় এবারই প্রথমবার ট্রফি জয়ের দুয়ারে তারা।
একাদশ ঘোষণায় দুই দলই রেখেছে শক্তির ভারসাম্য। চট্টগ্রাম রয়্যালসের স্কোয়াডে আছেন মির্জা তাহির বেগ, মোহাম্মদ নাঈম, মাহমুদুল হাসান, হাসান নাওয়াজ, আসিফ আলী, অধিনায়ক মেহেদী হাসান, আমির জামাল, তানভীর ইসলাম, উইকেটরক্ষক জাহিদুজ্জামান, মুকিদুল ইসলাম ও শরীফুল ইসলাম।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের দলে দেখা যাবে সাহিবজাদা ফারহান, তানজিদ হাসান, অভিজ্ঞ কেইন উইলিয়ামসন, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন, উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিম, মেহরব হাসান, অলরাউন্ডার জিমি নিশাম, আব্দুল গাফফার, তানজিম হাসান, হাসান মুরাদ ও বিনুরা ফার্নান্দোকে।
সব হিসাব-নিকাশ শেষে উত্তরটা মিলবে আজ রাতে। মিরপুরের আলোয় আজ হয়তো কেউ উদ্যাপন করবে পুরোনো গৌরবের পুনরাবৃত্তি, নয়তো কেউ লিখবে বিপিএলের ইতিহাসে একেবারে নতুন অধ্যায়।
ঢাকা/আমিনুল