বাংলাদেশের লক্ষ্য ৩-০, অস্ট্রেলিয়ার ২-১
ক্রীড়া প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম
অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ! বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ! এক সময় যা ছিল কল্পনারও বাইরে, তাই এখন বাস্তবে রূপ পাওয়ার অপেক্ষায়। অস্ট্রেলিয়াকে ওয়ানডে ক্রিকেটে ২০০৫ সালেই হারিয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ জিতল সিরিজ। এবার অসিদের হোয়াইটওয়াশের অপেক্ষা।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ রবিবার তৃতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নামতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। সকাল ১১টায় শুরু হবে দুই দলের শেষ ওয়ানডে। এরপর চট্টগ্রামে উড়াল দিয়ে দুই দল খেলবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।
এর আগে ঢাকাতেই শেষ মিশনে সফল হতে চায় বাংলাদেশ। এজন্য সম্ভাব্য সেরা পরিকল্পনাই করছে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাথায় চোট পাওয়া মেহেদী হাসান মিরাজ শেষ পর্যন্ত আজ খেলতে পারবেন কিনা নিশ্চিত নয়। এজন্য আগেভাগেই শেখ মেহেদীকে দলে যুক্ত করা হয়েছে। ২০২৩ বিশ্বকাপের পর সুযোগ পেলেন ১১ ওয়ানডে খেলা মেহেদী।
প্রথমবার অস্ট্রেলিয়াকে ধবলধোলাই করার সুযোগ বাংলাদেশের। সৌম্য সরকার জানালেন এই অর্জন কতটা বড় হবে, ‘‘অনেক বড় হবে। আমরা যখন সিরিজ জিতেছি, এটাই অনেক বড় একটা অর্জন। এটাই আগে আমাদের অনেক বড়ভাবে উদ্যাপন করা উচিত ছিল। যদি ৩-০তে জিততে পারি, এটা আমাদের জন্য আরও অনেক বড় একটা অর্জন হবে। আমাদের সবার লক্ষ্যও থাকবে সেটা, ইতিবাচক ক্রিকেট খেলব।’’
কেনিয়া, আয়ারল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউ জিল্যান্ড, পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে ওয়ানডেতে ধবলধোলাই করার স্মৃতি আছে বাংলাদেশের। মিরপুরে আজ উঠতে পারে অস্ট্রেলিয়ার নামও। তবে অস্ট্রেলিয়া ভুল শুধরে মাঠে ভালো করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। শেষ ম্যাচের আগের দিন দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে মার্নাস লাবুশেন বলেছেন, ‘‘অবশ্যই যে কোনো ম্যাচ হারা হতাশাজনক। আমরা সব সময় ম্যাচ জিততে চাই। এজন্যই আমরা মাঠে নামি এবং পছন্দের খেলা খেলতে পারার জন্যই ঘর ছেড়ে এত সময় বাইরে থাকি। কাজেই আগামীকাল (রবিবার) মাঠে নেমে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ শেষ করতে চাই।”
“ব্যবধান ৩-০ হোক বা ২-১, দিনশেষে সিরিজটা হেরে গেছি। এই ব্যাপারটি কষ্টদায়ক। তার পরও আমরা নিশ্চিত করতে চাই, আগামীকাল যেন পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে মাঠে নামতে পারি,” যোগ করেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার প্রস্তুতি ভালো হচ্ছে না একদমই। ম্যাচে যেমন বৃষ্টি বাগড়া দিচ্ছে। অনুশীলনেও তাই। বিরতির দিনগুলোতে অনুশীলনের পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়ার আক্ষেপ ঝরল লাবুশানের, ‘‘মাঠে এসে অনুশীলন করার সুযোগ না পেলে সবসময় হতাশা কাজ করে। তবে এটা খেলার অংশ। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে, যেন আগামীকালের ম্যাচে পুরোপুরি মনযোগী ও প্রস্তুত হয়ে মাঠে নামতে পারেন। আবহাওয়া বেশ কিছুদিন ধরেই টানা এমন আচরণ করছে। আগামীকালের ম্যাচেও যদি কিছুটা বৃষ্টি হয়, সেটা মোটেও আশ্চর্যজনক হবে না।”
এই ম্যাচেও কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষায় না গিয়ে সেরা সমন্বয় খেলানোর পক্ষে সৌম্য সরকার, ‘‘এটা ম্যানেজমেন্টের বিষয় (কারা খেলবে)। তারপরেও বলব, আমার দিক থেকে জিজ্ঞাসা করলে বলব যে, পরীক্ষা না করাটাই ভালো কারণ অনেক বড় দলের সঙ্গে আমরা খেলছি। ৩-০ অনেক বড় একটা অ্যাচিভমেন্ট হবে। তো যারা সেরা আছে তাদেরকেই খেলানো উচিত।’’
ঢাকা/ইয়াসিন
হামের উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু, ঢাকায় ৩