ঢাকা     সোমবার   ০৩ অক্টোবর ২০২২ ||  আশ্বিন ১৮ ১৪২৯ ||  ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪১৪

ঈদের ছুটিতে দূরে কোথাও

ফয়সাল আহমেদ || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:১৪, ১০ জুলাই ২০২২   আপডেট: ১৫:২৮, ১০ জুলাই ২০২২
ঈদের ছুটিতে দূরে কোথাও

ঈদের ছুটি কাটাতে অনেকেই দেশে বা বিদেশে ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছেন। অনেকেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি কোথায় যাবেন। সবার জন্যই এই লেখা। বাংলাদেশের যে কোনো গন্তব্যে ভ্রমণ-খরচ নির্ভর করে কতদিন থাকবেন, কোন হোটেলে থাকবেন এবং যাতায়াত পরিসেবা কী গ্রহণ করবেন তার উপর। আপনার ভ্রমণ সুন্দর ও ঝামেলামুক্ত করতে এ ক্ষেত্রে আপনি কোনো ট্যুর অপারেটরের সহযোগিতা নিতে পারেন।

কক্সবাজার

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভ্রমণস্পট। শুধু পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতই নয়, কক্সবাজার ভ্রমণে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। যদিও সেন্টমার্টিন ভ্রমণের জন্য নিরাপদ সময় হচ্ছে নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত। এ সময় বেশ কয়েকটি পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল করে। কক্সবাজারের হিমছড়ির পাহাড় ও বিচ, ইনানী বিচ, মহেশখালী, সোনাদিয়া, রামু বৌদ্ধবিহারসহ আরো বহু আকর্ষণীয় স্পট পর্যটকদের জন্য বাড়তি পাওয়া। 
কক্সবাজারে তারকা মানের হোটেলের মধ্যে সায়মন বিচ রিসোর্ট, লংবিচ, কক্স টুডে, সীগাল, জলতরঙ্গ, টিউলিপ গার্ডেন (ইনানী), প্রাসাদ প্যারাডাইস, মারমেইড ইকো রিসোর্টসহ আরো বেশ কয়েকটি হোটেল রয়েছে। এ ছাড়া মধ্যম মান এবং বাজেট হোটেলের মধ্যে ডিভাইন ইকো রিসোট, পর্যটন মোটেল প্রবাল, প্রাইম পার্ক, সী ক্রাউন, কোরাল রিফ, ভিস্তা বে রিসোর্টসহ বহু হোটেল রয়েছে। ঢাকা থেকে কক্সবাজারে লাক্সারি বাস, ইকোনমি বাস, বিমান যে কোনো মাধ্যমে যাতায়াত করা যায়। 

বান্দরবান

বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়শ্রেণী, বৈচিত্র্যময় পাহাড়ি আদিবাসীদের সংস্কৃতি, প্রকৃতিতে মেঘ-রৌদ্যের অপরূপ পরিবর্তন, অসংখ্য আকর্ষণীয় ঝরণাধারা, ঝিরিপথের সৌন্দর্য সর্বোপরী ‘পাহাড়ের ভাষা’ বুঝতে আপনাকে বান্দরবান যেতে হবে। বান্দরবানে আপনি ৩দিনের ভ্রমণসূচি করলে দেখতে পাবেন চিম্বুক পাহাড়, শৈলপ্রপাতের ঝরণাধারা, মেঘলা পর্যটন, নীলাচল (টাইগার হিল) এবং পাহাড় ও সাঙ্গু নদীর অপরূপ সৌন্দর্য। শহর থেকে খানিকটা দূরে রয়েছে বুদ্ধ জাদি গোল্ডেন টেম্পল। সময়টা আরেকটু বাড়িয়ে নিলে চলে যেতে পারেন একদিনের ভ্রমণে রোয়াংছড়ির দেবতাখুমে। অপার্থিব সৌন্দর্য ও নীরবতা উপভোগ করতে পারবেন এখানে। সময় যদি আরো বেশি থাকে এবং শারীরিক সক্ষমতা প্রমাণ করতে চান তাহলে ভাবতে পারেন আরো ভেতরে থানচি হয়ে নাফাকুমের কথা। দেবতাখুম এবং নাফাখুমে আপনাকে ট্রেকিং করতে হবে বেশ কিছু পাহাড়ি পথ। এ ছাড়া রুমা বগালেক এবং ক্রেওক্রাডং বা তাজিনডং অভিযানের পরিকল্পনাও করতে পারেন বান্দরবান বেড়াতে গিয়ে।  
ঢাকা থেকে বান্দরবানে এসি, নন-এসি বাসা যাচ্ছে। থাকার জন্য বিলাসবহুল তারকা হোটেল সাইরু, গ্রিন পিক রিসোর্ট, হিলসাইড সাইড রিসোর্ট, পর্যটন মোটেলসহ আরো কয়েকটি মানসম্পন্ন হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে।

সিলেট

বাংলাদেশের ভ্রমণকারীদের মধ্যে কক্সবাজারের পরেই জনপ্রিয় স্থান সিলেট। কারণ অতি বৃষ্টিবহুল এলাকা হওয়ায় সিলেট ভ্রমণে আপনি এক অন্যরকম সবুজের দেখা পাবেন। প্রকৃতির সঙ্গে অন্যান্য বৈচিত্র্যও আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে এখানে। একবার নয় বারবার ভ্রমণ করা যায় বৈচিত্র্যপূর্ণ সবুজ সিলেটে। সিলেট ভ্রমণে আপনি জাফলং-জৈন্তিয়াপুর-লালাখাল ছাড়াও দেখবেন বিছনাকান্দির অপরূ সৌন্দর্য। ওপারে চেরাপুঞ্জী, এপারে ভোলাগঞ্জের সাদাপাথরের সৌন্দর্যও দারুণ উপভোগ্য। মিঠাপানির জলাবন রাতারগুলে নৌকা দিয়ে ঘুরে বেড়ানো সিলেট ভ্রমণে নিঃসন্দেহে বৈচিত্র্য নিয়ে আসবে। সিলেটে রয়েছে হযরত শাহজালাল (রঃ) ও শাহপরান (রঃ) এর মাজার। সিলেট ভ্রমণে পর্যটকরা একবার হলেও এখানে মাজার জিয়ারত করতে আসেন। হিন্দু সনাতন ধর্মালম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রীচৈতন্যদেবের পিতৃ-মাতৃভূমি সিলেট। গোলাপগঞ্জ উপজেলায় রয়েছে চৈতন্যমন্দির। ধর্মীয় এবং ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই মন্দিরে ভক্তগণ ছাড়াও ইতিহাস সচেতন পর্যটকগণ একবার ঘুরে যেতে পারেন। সিলেটে রয়েছে বাংলাদেশের প্রাচীনতম চা বাগান মালনীছড়াসহ বেশ কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন চা বাগান যা ভ্রমণকারীদের সময় কাটানোর জন্য চমৎকার স্থান। 
সিলেটের খাদিমনগর ও লালাখালে নাজিমগড় রিসোর্ট বিলাসবহুল। অন্যান্য হোটেল বা রিসোর্টের মধ্যে রোজভিউ হোটেল, শুকতারা ইকো রিসোর্ট, পর্যটন মোটেল, হোটেল নুরজাজাহান উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ইকোনমি মানের বহু হোটেল এবং গেস্টহাউজ রয়েছে সিলেট শহরজুড়ে। 

সুনামগঞ্জ

সিলেট শহর থেকে ঘণ্টাদুয়েক যাত্রা করে হাসনরাজা-দূরবীন শাহ-রাধামন-শাহ আব্দুল করিমের স্মৃতিবিজড়িত সুনামঞ্জ বেড়িয়ে আসতে পারেন। সুনামগঞ্জের সবচাইতে বড়ো আকর্ষণ টাঙ্গুয়ার হাওড়। এখানে সাধারণ বোট ছাড়াও আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিয়ে কয়েকটি হাউজবোট পর্যটকদের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এই বোটগুলোতে পরিবার নিয়ে ঘুরে বেড়ানো ও রাত্রিযাপন করা যায়। বাড়তি আকর্ষণ মেঘালয়ের পাদদেশের যাদুকাটা নদীর সৌন্দর্য, শিমুল বাগানসহ অনেক কিছু। ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে অথবা সিলেট থেকে সুনামগঞ্জ যেতে পারেন।

শ্রীমঙ্গল

সিলেট শহর থেকে ৮০ কি.মি. দূরে শ্রীমঙ্গলের দিগন্ত বিস্তৃত চা বাগানের সৌন্দর্য উপভোগ না করলে বাংলাদেশের প্রাকৃতির সৌন্দর্যের এক লীলাভূমি দেখা থেকে বঞ্চিত হবেন। শ্রীমঙ্গল পৃথকভাবেই ভ্রমণ করা যায়। লাউয়াছাড়া বন, মাধবপুর হ্রদ, বাইক্কাবিলে পাখি দেখা, সীতেশ বাবুর দুর্লভ প্রাণীর সংগ্রহশালা, হাকালুকি হাওড়সহ বেশ কিছু স্পট ঘুরে দেখা যায়। অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় ভ্রমণকারীরা হাম হাম জলপ্রপাতও ভ্রমণ তালিকায় রাখতে পারেন। শ্রীমঙ্গলের সাত রঙের চায়ের কথা কে না জানে। এ ছাড়াও সিলেট বা শ্রীমঙ্গল থেকে বড়লেখায় গিয়ে মাধবপুন্ড জলপ্রপাত দেখার পর্যটকের সংখ্যাও কম নয়। 

সিলেট বিভাগের মধ্যে হবিগঞ্জের বাহুবলে অবস্থিত দি প্যালেস সবচেয়ে বিলাসবহুল এবং বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গড়ে তোলা একটি রিসোর্ট। মৌলভীবাজারে দোসাই রিসোর্ট এবং শ্রীমঙ্গলের গ্রান্ড সুলতান হোটেল এন্ড রিসোর্টও বিলাসবহুল। বলাবাহুল্য এই রিসোর্টগুলো ব্যয়বহুলও বটে। মধ্যমমানের কিন্তু চমৎকার সুযোগসুবিধা সম্বলিত রিসোর্টের মধ্যে টি রিসোর্ট, বালিশিরা রিসোর্ট, নভেম ইকো রিসোর্ট, লেমন গার্ডেন রিসোর্ট উল্লেখযোগ্য। এছাড়া বিভিন্ন মানের বহু রিসোর্ট ও হোটেল রয়েছে শ্রীমঙ্গলে।
বাস, ট্রেন এবং বিমানে সিলেটে যাওয়া যায়। 

সাজেক ও খাগড়াছড়ি

বাংলাদেশের ভ্রমণপ্রিয়দের মধ্যে সাজেক এখন দারুণ জনপ্রিয়। একেবারে কাছে থেকে মেঘের রাজ্যে ঘুরে বেড়ানো এবং মেঘ এসে আপনাকে ছুঁয়ে দিচ্ছে এমন অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের অন্য কোনো ভ্রমণকেন্দ্রে সাধারণত পাবেন না। সীমান্তের ওপারেই ভারতের মিজোরামের পাহাড়শ্রেণী। বাংলাদেশের ছোট্ট একটি হিলস্টেশন সাজেক। সাজেকে মূলত রিসোর্টে বসে সময় উপভোগ করার জন্য আদর্শ স্থান। এ ছাড়া কংলাং পাহাড়ে ওঠা, হ্যালিপ্যাডে ঘুরে বেড়ানো বাড়তি আকর্ষণ। সাজেকের পাহাড়ি গ্রামেও ঘুরে বেড়িয়ে পাহাড়িদের জীবন ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হতে পারেন। 

সাজেকে থাকার জন্য রয়েছে বেশ কিছু রিসোর্টের মধ্যে মেঘপুঞ্জী রিসোর্ট, মেঘমাচাং রিসোর্ট, মেঘালয় রিসোর্ট, রুন্ময় রিসোর্টসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় রিসোর্ট রয়েছে। সাজেক ভ্রমণে আপনি এক রাত খাগড়াছড়ি থেকে অথবা ফেরার পথে আলুটীলা, রিসাং ঝরনাসহ আরো দুয়েকটি স্থান ঘুরে ঢাকায় ফিরতে পারেন।
সাজেক যেতে হলে ঢাকা থেকে প্রথমে বাসে যেতে হবে খাগড়াছড়ি। খাগড়াছড়ি থেকে চান্দের গাড়ি বা জীপে চড়ে যেতে হয় সাজেক ভ্যালীতে। নির্দিষ্ট সময়ে জীপগুলো ছেড়ে যায়। 

রাঙামাটি

পাহাড়, হ্রদ, কর্নফুলী নদী ও পাহাড়ি অধিবাসীদের বৈচিত্রপূর্ণ জীবন ও সংস্কৃতি নিয়ে বাংলাদেশের অপরূপ সুন্দর একটি জেলা রাঙামাটি। চারদিকে পাহাড় মাঝখান দিয়ে বয়ে চলেছে অসংখ্য ছোট-বড়ো বিভিন্ন আকৃতির নৌকা। কাপ্তাই লেকে একদিনের নৌ-ভ্রমণে আপনি রাঙামাটির আইকন ঝুলন্ত সেতু, শুভলং ঝরনা, রাজবন বৌদ্ধবিহার, চাকমা রাজবাড়ী, পাহাড়ি খাবারের আয়োজন নিয়ে সাজানো রেস্তোরাঁ টুকটুক ইকো ভিলেজ এবং প্যাদা টিং টিং ঘুরে দেখতে পারেন। রাঙামাটিতে রয়েছে পাহাড়িদের জীবন ও সংস্কৃতি নিয়ে গড়ে তোলা জাদুঘর। জনপ্রিয় পাহাড়ি খাবার ব্যাম্বু চিকেনসহ আরো বেশ কিছু আইটেম পাবেন পাহাড়ি রেস্টুরেন্টগুলোতে।
রাঙামাটি থেকে কাপ্তাই লেকের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে আপনি চাইলে কাপ্তাই চলে যেতে পারেন। কাপ্তাইতে লেকশোর রিসোর্ট, আরণ্যক হলিডে রিসোর্টসহ আরো কয়েকটি হোটেল ও রিসোর্টে চমৎকার আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। 

রাঙামাটিতে পর্যটন মোটেল, হোটেল সুফিয়া, পলওয়েল পার্ক এন্ড কটেজ সহ বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। সম্প্রতি হাউজ বোটও যুক্ত হয়েছে কাপ্তাই লেকে। ঢাকা থেকে নিয়মিত বাসসার্ভিস রয়েছে। এছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে বাসে বা ট্রেনে গিয়েও অনেকে রাঙামাটি ভ্রমণ করেন।

কুয়াকাটা

কুয়াকাটা এখন আর দূরে নয়। বাংলাদেশের একমাত্র সমুদ্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়। এমন বৈচিত্র্যপূর্ণ সৈকত পৃথিবীতেও খুব বেশি নেই। শুধু তাই নয়, কুয়াকাটায় রয়েছে আরো বহু বৈচিত্র্য। এখানে এলে দেখতে পাবেন দ্বিতীয় সুন্দরবন বলেখ্যাত ফাতরার চর, লাল কাঁকড়ার চর, শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহার, সীমা বৌদ্ধবিহারসহ বেশ কিছু আকর্ষণীয় স্থান। দেখতে পাবেন রাখাইনদের জীবন ও সংস্কৃতি। কুয়াকাটায় থাকার জন্য রয়েছে বেশ কিছু বিলাসবহুল এবং ইকোনমি হোটেল ও রিসোর্ট। এর মধ্যে হোটেল গ্রেভার ইন, সিকদার হোটেল অ্যান্ড ভিলা, সিনডারেলা রিসোর্ট, কুয়াকাটা গেস্ট হাউজ, হোটেল নীলাঞ্জনা ও পর্যটন মোটেল উল্লেখযোগ্য। 
সম্প্রতি পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় এখন আপনি সহজেই কুয়াকাটা ভ্রমণে যেতে পারেন। বিভিন্ন লাক্সারি বাস সার্ভিস ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। কক্সবাজার থেকে অনেক কম সময়ে, কম খরচে এখন আপনি কুয়াকাটা ভ্রমণ করতে পারবেন। ঈদের ছুটিতে তাই অনেকের কাছে অনেক দূরের কুয়াকাটা হতে পারে আকর্ষণীয় একটি গন্তব্য।

এই ঈদে আরো যেখানে যেতে পারেন

উপরের সবগুলো স্থানই বেশ জনপ্রিয়। আপনি ভিড় এড়িয়ে একটু ভিন্নধর্মী স্থানে দূরের ভ্রমণ করতে চাইলে, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে গ্রামীণ পরিবেশে সময় কাটাতে চাইলে যেতে পারেন উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে। এর মধ্যে পাহাড়পুর, মহাস্থানগড়, রংপুর, দিনাজপুর কিংবা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া হতে পারে। অথবা আমের রাজ্য রাজশাহী ও চাঁপাইনবাগঞ্জও নির্বাচন করতে পারেন। এসব অঞ্চলে বিভিন্ন লাক্সারী বাস সার্ভিস, রেল যোগাযোগ এবং বিমান পরিসেবা রয়েছে। এইসব জেলায় রয়েছে ভালো মানের আবাসিক হোটেল। 

লেখক: সিইও, সাউথ এশিয়ান ট্যুরিজম

/তারা/ 

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়