ঢাকা, শুক্রবার, ১১ ফাল্গুন ১৪২৪, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
Risingbd
অমর একুশে
সর্বশেষ:

‘জনতা ব্যাংকের ঋণ বরাদ্দে অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে’

কেএমএ হাসনাত : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৮-০২-০৫ ৮:০৫:৪৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০২-০৫ ৮:০৫:৪৫ পিএম

বিশেষ প্রতিবেদক : জনতা ব্যাংকের নিয়মবহির্ভূত ঋণ বরাদ্দের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

সোমবার বিকেলে জাতীয় জাদুঘরে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, জনতা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যে নিয়মবহির্ভূত ঋণ বরাদ্দ দিয়েছে, তা আমিও জেনেছি। এসব ক্ষেত্রে স্বাভাবিক নিয়মে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় সে ব্যবস্থাই নেওয়া হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা কোনোভাবেই রেহাই পাবে না।

জনতা ব্যাংক নিয়মবহির্ভূতভাবে এক গ্রাহককেই মাত্র ৬ বছরে ৫ হাজার ৫০৪ কোটি টাকার ঋণ দিয়েছে। নিয়মনীতি না মেনে এভাবে ঋণ দেওয়ায় বিপদে পড়েছে ব্যাংকটি। গ্রাহকও ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না। গত ৬ বছরে ওই গ্রাহক মাত্র ৮০০ কোটি টাকা ফেরত দিয়েছেন। বাকি টাকা ফেরত দিতে নানা টালবাহানা করছেন এখন।

জনতা ব্যাংকের মোট মূলধন ২ হাজার ৯৭৯ কোটি টাকা। মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার সুযোগ আছে। অর্থাৎ এক গ্রাহক ৭৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণ পেতে পারেন না জনতা ব্যাংক থেকে। দেওয়া হয়েছে মোট মূলধনের প্রায় দ্বিগুণ।

ব্যাংক দেখভাল করার দায়িত্ব যাদের, সরকারের নিয়োগ দেওয়া সেই পরিচালনা পর্ষদই এই বিপজ্জনক কাজটি করেছে। হল-মার্ক ও বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির পর এটিকেই পারস্পরিক যোগসাজশে সাধারণ মানুষের আমানত নিয়ে ভয়ংকর কারসাজির আরেকটি বড় উদাহরণ বলে মনে করছেন ব্যাংকাররা। তারা বলছেন, এটি একক ঋণের বৃহত্তম কেলেঙ্কারি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবুল বারকাত জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকার সময় এই ঋণ দেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ বছর জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি।

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আবুল বারকাত ঋণগ্রহীতার বিষয়ে স্টেটমেন্ট দিয়ে বলেছেন, পার্টি ভালো। দেখা যাক, কী হয়। বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮/হাসনাত/রফিক

Walton
 
   
Marcel