ঢাকা, রবিবার, ৬ কার্তিক ১৪২৫, ২১ অক্টোবর ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণের মামলায় অপর তরুণীর সাক্ষ্য

মামুন খান : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৮-০৮-০৯ ৮:১০:১৭ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৮-০৯ ৮:১০:১৭ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় বাদীর সাক্ষের পর বৃহস্পতিবার ধর্ষণের শিকার অপর তরুণীর জবানবন্দি গ্রহণ ও তাকে আংশিক জেরা করা হয়েছে। এর পরে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর পরবর্তী জেরার তারিখ ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল।

ঢাকার ৭ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নাজিম উদদৌলা এ তারিখ ধার্য করেন।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহমেদ জানান, বৃহস্পতিবার বিচারক অপর তরুণীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। তার জবানবন্দি শেষ হওয়ার পর আসামি নাঈম আশরাফের পক্ষের আইনজীবী আংশিক জেরার পর বিচারক আগামী ৯ সেপ্টেম্বর পরবর্তী জেরার দিন ধার্য করেছেন।

এর আগে মামলার বাদী ২০১৭ সালের ১৬ অক্টোবর জবানবন্দি প্রদান করেন। এরপর ওই বছর ৩১ অক্টোবর জেরা শুরু হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ, তার দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন, বন্ধু সাদমান সাকিফ ও নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিম।

এর আগে ২০১৭ সালের ১৩ জুলাই ট্রাইব্যুনাল আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে চার্জ গঠন করেন।

মামলাটিতে ওই বছর ৭ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটে সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় সরাসরি ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে। অপর আসামি সাফাত আহমেদের বন্ধু সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসনের বিরুদ্ধে ওই আইনের ৩০ ধারায় ধর্ষণের সহযোগিতার অভিযোগ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে বনানীর দ্য রেইনট্রি হোটেলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় দুই তরুণীকে। ওই ঘটনার দুই মাসেরও বেশি সময় পর ৬ মে রাজধানীর বনানী থানায় সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ ও সাদমান সাকিফসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন এক তরুণী।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/৯ আগস্ট ২০১৮/মামুন খান/রফিক

Walton Laptop
 
     
Walton