ঢাকা     রোববার   ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ৪ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি অব্যাহত, ৩২ ঘণ্টায়ও হলো না সমঝোতা

সিলেট প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:৩১, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ০৯:৩৩, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি অব্যাহত, ৩২ ঘণ্টায়ও হলো না সমঝোতা

আলোচনারত কর্মবিরতিতে থাকা চিকিৎসকরা। 

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় প্রশাসনের সাথে সমঝোতা না হওয়ায় টানা ৩২ ঘণ্টা ধরে কর্মবিরতি রয়েছেন হাসপাতালটির ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। 

রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে দ্বিতীয় দফা প্রশাসনের সাথে বৈঠকে বসবেন বলে জানিয়েছেন কর্মবিরতিতে থাকা চিকিৎসকরা। 

আরো পড়ুন:

এদিন সকালে রাইজিংবিডিকে ইন্টার্ন চিকিৎসক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত চিকিৎসকদের নিরাপত্তার দেওয়ার ব্যাপারে হাসপাতাল প্রশাসনের কাছ থেকে কোন সমাধান না আসায় এ কর্মবিরতি অব্যাহত রয়েছে।

ইন্টার্ন চিকিৎসক মিজানুর রহমান বলেন, “আমাদের কর্মবিরতি অব্যাহত রয়েছে এটি আমরা প্রত্যাহার করিনি। কারণ, হাসপাতাল প্রশাসন এখনো আমাদের এই আশ্বাস দিতে পারেনি যে তারা চিকিৎসার জন্য নিরাপত্তা বাড়াবে বা কি পরিমাণ ফোর্স তারা আমাদের দিবে। আমাদের আজ সকাল ১০টার দিকে আবারও প্রশাসনের সাথে বৈঠকের কথা রয়েছে, আশা করি বৈঠকের পর একটি সিদ্ধান্ত আসলে হয়তো ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করতে পারেন।”

এদিকে শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে হাসপাতালে নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের উপর হামলার ঘটনায় শনিবার রাতে কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রশাসন। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন- সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার খৈতর গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে শিমুল আহমদ (৩৫), একই গ্রামের শিমুল আহমদের স্ত্রী নাজিরা সিদ্দিকা (৩২) ও ছাতক থানাধীন দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা জাবেদ মিয়া (৩০)।

সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুল জাকির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “হাসপাতালের প্রশাসন থেকে তিনজনের নাম উল্লেখ করে জিডি করে গিয়েছেন। আটক তিন আসামিদের আমরা এরইমধ্যে ৫৪ ধারায় আদালতে সোর্পদ করেছি।”

অন্যদিকে নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের উপর হামলার ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির বলেন, ‘‘হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ঘটনার পর থেকেই হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটি ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখছে। আশা করছি দ্রুত একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো যাবে।’’

ঢাকা/রাহাত/এস

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়