ঢাকা     শুক্রবার   ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ২৩ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

ঝিনাইদহে স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই নির্বাচনি কার্যালয়ে ভাঙচুর, ককটেল উদ্ধার

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২২:৪৬, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ২২:৪৭, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঝিনাইদহে স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই নির্বাচনি কার্যালয়ে ভাঙচুর, ককটেল উদ্ধার

ঝিনাইদহে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি কার্যালয়

ঝিনাইদহ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী (কাপ-পিরিচ প্রতীক) সাইফুল ইসলাম ফিরোজের দুটি নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে। একটি কার্যালয় থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। 

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের নিশ্চিন্তপুর ও হেলাই গ্রামে ওই দুটি নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। হামলার পর থেকে এসব এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। 

আরো পড়ুন:

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রাত ৮টার দিকে চারটি মোটরসাইকেলে করে ৮ ব্যক্তি নিশ্চিন্তপুর এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনি অফিসে হামলা চালান। এ সময় তাদের হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। অতর্কিত হামলা চালিয়ে অফিসের টেবিল, চেয়ার ও তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন তারা। এর পর সেখানে একটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। কিন্তু, সেটি অবিস্ফোরিত থাকে। পরে পুলিশ এসে ককটেলটি উদ্ধার করে।

অন্যদিকে, আটজনের একটি দল হেলাই গ্রামে সাইফুল ইসলাম ফিরোজের আরেক নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা চালান। সেখানে থাকা চেয়ারগুলো ভাঙচুর করে দ্রুত মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যান তারা। এ সময় স্থানীয়রা দুজনকে চিনে ফেলে।

হেলাই গ্রামের বাসিন্দা নুর ইসলাম বলেছেন, “রাত ৮টার দিকে মতিয়ার ও মোশাররফসহ আমরা তিনজন কাপ-পিরিচ প্রতীকের নির্বাচনি অফিসে বসে ছিলাম। হঠাৎ চারটি মোটরসাইকেলে ৮ জনের একটি দল এসে অফিসে ভাঙচুর করে। তাদের মধ্যে দুজনকে চেনা গেছে। তারা ফয়লা গ্রামের শাওন ও মুন্না।”

স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেছেন, “বৃহস্পতিবার ফুরসন্দি ও ঘোড়শাল ইউনিয়নে ছিলাম। হঠাৎ শুনি, নিশ্চিন্তপুর ও হেলাই গ্রামের দুটি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। স্থানীয়রা তাদেরকে চিনে ফেলেছে। প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত হবে। আমার সমর্থকরা সর্বোচ্চ ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছেন।”

এ বিষয়ে জানতে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রাশেদ খানের মোবাইল ফোনে কল করা হলে তা রিসিভ করেন রাকিব হোসেন নামের এক ব্যক্তি। তিনি নিজেকে রাশেদ খানের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) হিসেবে পরিচয় দেন। 

রাকিব হোসেন বলেন, “১০ মিনিট পরে ফোন দিয়ে কথা বলিয়ে দেওয়া যাবে। তিনি (রাশেদ খান) ব্যস্ত আছেন।”

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেছেন, “স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের দুটি অফিসে কেউ না থাকায় ভাঙচুর করেছে। একটি অফিসের মধ্যে থেকে কালো টেপ দিয়ে মোড়ানো একটি জর্দার কৌটা উদ্ধার করা হয়েছে। সেটি ককটেল কি না, তা পরীক্ষা করার পর বলা যাবে। খবর শোনামাত্রই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অফিস দুটি পরিদর্শন করেছেন।”

ঢাকা/সোহাগ/রফিক

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়