ক্ষমা চাইলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
আন্তর্জাতিক ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম
কুখ্যাত যৌন অপরাধী এপস্টেইনের লালসার শিকার নারীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। বৃহস্পতিবার এক ভাষণে তিনি ক্ষমা চান।
জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকার পরও পিটার ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে দূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় লেবার পার্টির এমপিদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা সতর্ক করে বলেছেন, এই ক্ষোভের কারণে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কিয়ার স্টারমারের দিন ফুরিয়ে যাচ্ছে। এরপরই ক্ষমা চান স্টারমার
ম্যান্ডেলসন গত বছর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ছিলেন। জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার খবর জানাজানি হলে তাকে বরখাস্ত করা হয়। গত শুক্রবার মার্কিন বিচার বিভাগ নতুন করে এপস্টেইন সংক্রান্ত নথি প্রকাশ করেছে। সেখানেও ম্যান্ডেলসনের ছবি আছে। একটি নথির অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি যুক্তরাজ্যের বাজার ব্যবস্থা সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্যও এপস্টেইনের কাছে পাচার করেছিলেন। এ নিয়ে ব্রিটিশ পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
স্টারমার জানিয়েছেন, তিনি ওয়াশিংটনে ম্যান্ডেলসনকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য দুঃখিত। কারণ তার সঙ্গে দোষী সাব্যস্ত শিশু যৌন অপরাধীর সাথে তার সম্পর্ক ছিল। ম্যান্ডেলসন সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিল। আর তিনি ম্যান্ডেলসনের সেই তথ্য বিশ্বাস করেছিলেন।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “এপস্টেইনের ভুক্তভোগীরা এমন মানসিক আঘাতের সাথে বসবাস করেছেন যা আমাদের বেশিরভাগই বুঝতে পারে না এবং তাদের বারবার তা পুনরুজ্জীবিত করতে হয়েছে। তারা দেখেছেন, জবাবদিহিতা বিলম্বিত এবং প্রায়শই তাদের দাবি অস্বীকার করা হয়েছে।”
তিনি বলেছেন, “আমি এটি বলতে চাই। আমি দুঃখিত - আপনাদের সাথে যা করা হয়েছে তার জন্য দুঃখিত, এত ক্ষমতাধর ব্যক্তির ব্যর্থ হওয়ার জন্য দুঃখিত, ম্যান্ডেলসনের মিথ্যা বিশ্বাস করে তাকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য দুঃখিত এবং এখনো আপনাদের এই গল্পটি আবার জনসমক্ষে প্রকাশ পেতে দেখতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে দুঃখিত।”
ঢাকা/শাহেদ