ঢাকা     শনিবার   ০৭ মার্চ ২০২৬ ||  ফাল্গুন ২২ ১৪৩২ || ১৭ রমজান ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

বিএনপি নেতা পরিচয়ে জমি দখলের চেষ্টা, এমপির নির্দেশে পুলিশের অভিযান

নেত্রকোণা সংবাদদাতা  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:১৪, ৬ মার্চ ২০২৬   আপডেট: ২০:১৮, ৬ মার্চ ২০২৬
বিএনপি নেতা পরিচয়ে জমি দখলের চেষ্টা, এমপির নির্দেশে পুলিশের অভিযান

ফেসবুক লাইভে জমি দখলের অভিযোগ তুলে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন ঝুমুর রানী সাহা ও তার স্বামী

নেত্রকোণা জেলা শহরের বলাইনগুয়া এলাকায় বিএনপি নেতা পরিচয়ে এক দম্পতির জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কয়েক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। 

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) গভীর রাতে ফেসবুকে লাইভে এসে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগীরা। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নেত্রকোণা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মো. আনোয়ারুল হক অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। পরে পুলিশ অভিযান চালালে অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ঝুমুর রানী সাহা শুক্রবার (৭ মার্চ) নেত্রকোণা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) রাত আনুমানিক ১টার দিকে মো. ফারুক খান (৩৪), কামরুল হাসান (৩২), মন্টু চন্দ্র দাস (৪৪), শেখ সেলিম ওরফে হাজী সেলিম (৫০), প্রাণনাথ চন্দ্র সরকার (৬২) ও মানিক সরকারসহ (৪০) অজ্ঞাত আরো ৬-৭ জন বলাইনগুয়া এলাকায় ঝুমুর রানী সাহার কেনা জমিতে গিয়ে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের মাধ্যমে দখলের চেষ্টা করেন। এ সময় ঝুমুর ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে অভিযুক্তরা গালিগালাজ করেন এবং মারধর করার জন্য তেড়ে আসেন। 

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ওই দম্পতি গভীর রাতে ফেসবুক লাইভে এসে নিজেদের সম্পদ রক্ষায় সহায়তা চান এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। লাইভটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি নজরে আসলে সংসদ সদস্য ডা. মো. আনোয়ারুল হক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দেন। এর পর নেত্রকোণা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পুলিশের অভিযানের খবর পেয়ে অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্তদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা কল রিসিভ করেননি। 

নেত্রকোনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক বলেছেন, “অভিযুক্তরা নিজেদের বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচয় দিলেও তারা কেউ এ দলের নন। আমি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছি অন্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রাখতে৷” 

এ বিষয়ে নেত্রকোণা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আল মামুন সরকার বলেছেন, “এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঢাকা/ইবাদ/রফিক

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়