ঢাকা     বুধবার   ১১ মার্চ ২০২৬ ||  ফাল্গুন ২৬ ১৪৩২ || ২১ রমজান ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

পটুয়াখালীতে ইউপি চেয়ারম্যানের টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

পটুয়াখালী (উপকূল) প্রতিনিধি  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১২:১৫, ১১ মার্চ ২০২৬   আপডেট: ১২:১৯, ১১ মার্চ ২০২৬
পটুয়াখালীতে ইউপি চেয়ারম্যানের টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

গ্রাম পুলিশ নিয়োগে ইউপি চেয়ারম্যানে (খালি গায়ে) হাফেজ আব্দুর রহিমের টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধুলাসার ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশ সদস্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিমের টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

আরো পড়ুন:

হাফেজ আবদুর রহিম ২০২২ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

ভিডিওতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম খালি গায়ে বসে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় ভিডিওর বিপরীতে থাকা এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকার বান্ডিল নিচ্ছেন। এসময় তাকে বলতে শোনা যায়, “বোর্ডে থাকমু আমি, ইউএনও আর ওসি। এর বাইরেও তিন চারজন আছে। ইউএনও স্যারে আমারে জিগাইছে চেয়ারম্যান সাব কারে কারে নেবেন। আমি কইছি দুই রাকিব আছে, তাদের নেওয়া লাগবে।” 

একটি সূত্রে জানা যায়, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ সদস্য প্রার্থী তামিমের কাছ থেকে নিয়োগের বিষয়ে ঘুষের টাকার বান্ডিল নিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান। তবে, সেখানে কত টাকা ছিল এবং কার কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 

এবিষয়ে জানতে ইউপি চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “চৌকিদার নিয়োগ টাকা পয়সার বিনিময়ে হয় না। ওই টাকা আমার কাছে জমা রাখা হয়েছিল। আমাকে ফাঁসানোর জন্য তারা এটা ঘটিয়েছে। ইউএনও স্যার সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে চৌকিদার নিয়োগ দিয়েছেন। ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ সদস্য প্রার্থী তামিম চাকরি না পেয়ে আমাকে ফাসানোর জন্য মিথ্যা রটাচ্ছে। তাকে টাকাটা আবার ফেরত দেওয়া হয়েছে।”

মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহব্বত খাঁন বলেন, “নিয়োগ পরীক্ষার দিন আমি বোর্ডে ছিলাম না। জরুরি মিটিংয়ে পটুয়াখালী থাকায় আমার তদন্তকারী কর্মকর্তা অনিমেষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এই বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” 

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ সাংবাদিকদের বলেন, “শতভাগ স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। টাকা লেনদেনের বিষয়টি আমি অবগত নই। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হবে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।”

ঢাকা/ইমরান/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়