ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ১২ মার্চ ২০২৬ ||  ফাল্গুন ২৭ ১৪৩২ || ২৩ রমজান ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

পঞ্চগড়ে ‘কিশোরকণ্ঠ’ মেধাবৃত্তি পেল ১৯৩ শিক্ষার্থী

পঞ্চগড় প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:০৩, ১২ মার্চ ২০২৬  
পঞ্চগড়ে ‘কিশোরকণ্ঠ’ মেধাবৃত্তি পেল ১৯৩ শিক্ষার্থী

মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৯৩ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করেছে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া একজন শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ এবং বিভিন্ন শ্রেণিতে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া আরো সাতজনকে বাইসাইকেল দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ট্যালেন্টপুল, সাধারণ ও বিশেষ ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে পঞ্চগড় অডিটোরিয়াম চত্বরে মুক্তমঞ্চে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে এসব পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

আরো পড়ুন:

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মো. ইবরাহিম, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ইকবাল হোসাইন এবং সেক্রেটারি মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন। তারা মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন পঞ্চগড় শাখার চেয়ারম্যান রাশেদ ইসলাম।

পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে ল্যাপটপ পেয়েছে মো. সাদমান সাদিক। সে পঞ্চগড় এভারেস্ট প্রি-ক্যাডেট স্কুল ও কলেজের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

বাইসাইকেল পাওয়া অন্য শিক্ষার্থীরা হলো— মুমতাহিনা মিরাহ (চতুর্থ শ্রেণি, তেঁতুলিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), আরিফ হোসেন জিসান (পঞ্চম শ্রেণি, সানন্দ কিন্ডারগার্টেন), ফাতিমা ফারহানা (ষষ্ঠ শ্রেণি, পঞ্চগড় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়), ইত্তেসাফ হামিদ (সপ্তম শ্রেণি, পঞ্চগড় বিপি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়), উম্মে হুমায়রা খাতুন (অষ্টম শ্রেণি, করতোয়া কালেক্টরেট আদর্শ শিক্ষা নিকেতন), তানজিম আহমেদ (নবম শ্রেণি, নৃপেন্দ্র নারায়ণ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়) এবং দুর্জয় কিশোর বর্মন (দশম শ্রেণি, সাকোয়া উচ্চ বিদ্যালয়)।

আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ এবং প্রতিযোগিতামূলক চর্চা জোরদার করতে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর পঞ্চগড়ে এ মেধাবৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। নতুন কিশোরকণ্ঠের সংগঠন কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় জেলার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণির প্রায় ছয় হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মো. ইবরাহিম বলেন, “মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে ভবিষ্যতে দেশ গঠনে সম্পৃক্ত করাই আমাদের লক্ষ্য। সারাদেশে ট্যালেন্ট হান্ট কর্মসূচির অংশ হিসেবেই আমরা এ ধরনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করছি।”

ঢাকা/নাঈম/জান্নাত

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়