সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলা
জবানবন্দি শেষে যা বললেন আরিফ, গউছ ও বাবর
সিলেট প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
ডান পাশ থেকে লুৎফুজ্জামান বাবর, শ্রম, কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং জি কে গউছ।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলাসহ একাধিক মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গউছ ও লুৎফুজ্জামান বাবর।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সিলেটের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ৩৪২ ধারায় জবানবন্দি শেষে সাংবাদিকদের দেওয়া পৃথক প্রতিক্রিয়ায় তারা এমন দাবি করেন।
আরো পড়ুন: সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলা: জবানবন্দি দিলেন আরিফ, গউছ, বাবর
শ্রম, কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, সাজানো এবং ষড়যন্ত্রমূলক।
তিনি দাবি করেন, “এই মামলায় আমাদের বিরুদ্ধে কোনো সাক্ষীই অভিযোগ করেননি। শুরুতে এজাহারেও আমাদের নাম ছিল না, পরে সম্পূরক অভিযোগপত্রে যুক্ত করা হয়েছে।”
মন্ত্রী জানান, তারা আদালতের প্রতি আস্থা রাখেন এবং ন্যায়বিচার হলে নির্দোষ প্রমাণিত হবেন।
জাতীয় সংসদে সরকার দলীয় হুইপ জি কে গউছ মামলাটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট আখ্যা দিয়ে বলেন, “আমাদের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে ও বিএনপিকে দুর্বল করার জন্য এই মামলায় সরাসরি আসামি করা হয়েছে।”
তিনি দাবি করেন, প্রথম এজাহারে তাদের নাম ছিল না, পরবর্তীতে সম্পূরক চার্জশিটের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়েছে। এটি সাংগঠনিকভাবে বিএনপিকে দুর্বল করার অপচেষ্টা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, “সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলাসহ একাধিক মামলা একই উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছে।”
তিনি অভিযোগ করেন, “বিএনপি ও এর নেতাকর্মীদের ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্যই এসব মামলা করা হয়েছে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলাসহ এসব মামলার পেছনে একই উদ্দেশ্য ও কারণ কাজ করেছে।”
২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় এ মামলা হয়। বর্তমানে মামলাটি যুক্তিতর্কের অপেক্ষায় রয়েছে। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায় ঘোষণা করবেন বলে আদালত সূত্র জানা গেছে।
ঢাকা/রাহাত/মাসুদ
ট্রাম্পকে অপসারণে সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগের দাবি