ঢাকা     বুধবার   ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ||  চৈত্র ২৫ ১৪৩২ || ১৯ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

নড়াইলে দাফনের ৭ মাস পর পার্ক ব্যবস্থাপকের মরদেহ উত্তোলন

নড়াইল প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১০:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬   আপডেট: ১০:৩৪, ৮ এপ্রিল ২০২৬
নড়াইলে দাফনের ৭ মাস পর পার্ক ব্যবস্থাপকের মরদেহ উত্তোলন

কবর থেকে নিরিবিলি পিকনিক স্পটের কাউন্টার ব্যবস্থাপক মুকুলের মরদেহ মঙ্গলবার বিকেলে উত্তোলন করা হয়।

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় দাফনের সাত মাস পর কবর থেকে নিরিবিলি পিকনিক স্পটের কাউন্টার ব্যবস্থাপক মুকুল মোল্যার মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে ময়নাতদন্তের জন্য উপজেলার লক্ষ্মীপাশা কেন্দ্রীয় কবরস্থান থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়। 

আরো পড়ুন:

মুকুল মোল্যা লক্ষ্মীপাশা গ্রামের মৃত রুহুল আমীন মোল্যার ছেলে।

পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের (২৭ আগস্ট) বিকেলে পিকনিক স্পটে আসেন একই উপজেলার রাজপুর এলাকার আবু সাঈদ, আরিনা জান্নাতুল ও সাহানুর বেগমসহ কয়েকজন। এ সময় রাত্রিযাপনের জন্য কক্ষ ভাড়া নেওয়া নিয়ে তাদের সঙ্গে বাকবিতাণ্ডা হয় ব্যবস্থাপক মুকুলের। একপর্যায়ে তারা সবাই মিলে মুকুলকে মারধর করেন। পরে অসুস্থ অবস্থায় লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মুকুলকে মৃত ঘোষণা করেন। 

মুকুলকে মারধরের বিষয়টি পরিবার তখনও জানতো না। এ কারণে মুকুলের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে ২৮ আগস্ট দাফন করেন পরিবারের সদস্যরা। কয়েকদিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুকুলকে মারধরের সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি  নজরে এলে পরিবারের সদস্যরা আদালতের দ্বারস্থ হয়। ওই বছরের ২ নভেম্বর লোহাগড়া আমলি আদালতে নিহতের বড় বোন রেহানা পারভীন বাদী হয়ে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্তের স্বার্থে আদালত
সংস্থাটিকে মুকুলের মরদেহ উত্তোলন করে সুরতহাল শেষে ময়না তদন্তের জন্য অনুমতি দেন।

নড়াইল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মেহেদী হাসান জানান, আদালতের নির্দেশে মুকুল মোল্যার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

ঢাকা/শরিফুল/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়