প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে কার্ড পেয়ে উচ্ছ্বসিত কৃষকরা
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
টাঙ্গাইল সদরের ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ গ্রামের কৃষাণী নাসিমা খানম সুমনা। কয়েক যুগ ধরে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কখনো কখনো কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাননি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড পেয়ে তিনি খুব খুশি।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে নতুন বাংলা বছরের প্রথম দিনে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় ১৫ জন কৃষকের হাতে কার্ড তুলে দেন।
নাসিমা খানম সুমনা বলেছেন, “বিএনপি সরকার আমাদের স্বার্থে কাজ করবে, এটা ধারণা ছিল। তবে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড পাব, তা কখনো কল্পনাও করিনি। কৃষক কার্ড পেয়ে আমি খুব খুশি। প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।”
শুধু নাসিমা খানম সুমনা নন, তার মতো ঘারিন্দা ইউনিয়নের ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক কার্ড পেয়ে খুব খুশি। সরকারের প্রি-পাইলটিং প্রজেক্টের আওতায় কৃষক কার্ড দেওয়া হচ্ছে।
কৃষক কার্ডের আওতায় প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকরা অন্তত ১০ ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন। সেগুলো হলো— ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্পমূল্যে কৃষিযন্ত্র, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইল ফোনে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য, কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষণ, ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ, কৃষি বিমা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুবিধা।
অপর কৃষক মোহাম্মদ আবু কায়সার বলেছেন, “আগে দেখতাম, জিয়াউর রহমান খাল কেটে মানুষের মন জয় করেছিলেন, বর্তমানে তারেক রহমান কৃষক কার্ড দিয়ে আমাদের মন জয় করেছেন। আমরা সরকারের কাছে খুব কৃতজ্ঞ। এই কার্ড দিয়ে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্পমূল্যে কৃষিযন্ত্র, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনাসহ নানা সুযোগ সুবিধা পাব।”
আমেনা বেগম বলেন, “এই কার্ড পেয়ে আমরা খুব খুশি। আমাদের কৃষিকাজ করতে এখন আর বেগ পোহাতে হবে না। কৃষক কার্ড পেয়ে আমাদের খুব উপকার হলো।”
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, কৃষক কার্ড বিতরণ তিন ধাপে বাস্তবায়িত হবে। সেগুলো হলো— প্রি-পাইলটিং, পাইলটিং এবং দেশব্যাপী কার্যক্রম। প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে ১০ জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে ফসল উৎপাদনকারী কৃষকের পাশাপাশি মৎস্যচাষি বা আহরণকারী, প্রাণিসম্পদ খাতে নিয়োজিত খামারি ও দুগ্ধ খামারিসহ ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শ্রেণির কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে লবণচাষিও এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
ঢাকা/কাওছার/রফিক
গাজা ও লেবাননে সামরিক অভিযান চলবেই: নেতানিয়াহু