কুড়িগ্রামে প্রবাসীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা লুট
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
ডা. রোকনুজ্জামান কিরণ পেশায় চিকিৎসক। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচন করে এলাকায় জনসেবামূলক কাজ করতে চেয়েছিলেন। তার এই চাওয়াই কলা হয়েছে। রাতের আঁধারে তার ডুপ্লেক্স বাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আগুনে ঘরের আসবাবপত্রের সঙ্গে পুড়েছে মূল্যবান কাগজপত্র। একইসঙ্গে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুটের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি তাকে পরিবারসহ পুড়িয়ে মারার পরিকল্পনা থেকেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন রোকনুজ্জামান কিরণ।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে রোকনুজ্জামান কিরণের বাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্ত। তিনি কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সিংঝার গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে।
রোকনুজ্জামান কিরণ দীর্ঘ ২৫ বছর চীনে প্রবাস জীবন কাটিয়ে সম্প্রতি দেশে ফেরেন। গ্রামে ফিরে ১৬ বিঘা জমির ওপর নির্মাণ করেন ডুপ্লেক্স বাড়ি। গত ২৬ এপ্রিল রাতে তিনি রংপুরে অবস্থান করছিলেন। পরদিন সকালে খবর পান, বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। পরে বাড়িতে ফিরে তিনি দেখতে পান ঘরের ভেতরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এছাড়া ১৫ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার, ১৩ লাখ টাকা নগদ, পাসপোর্ট, চীনের ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র খুঁজে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, কেয়ারটেকারসহ কেউ বাড়িতে না থাকার সুযোগে ২৬ এপ্রিল দিবাগত রাতে ঘরের দরজা ভেঙে আগুন দেওয়া হয়। সকালে আগুন জ্বলতে দেখে এলাকাবাসী ছুটে আসেন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
রোকনুজ্জামান কিরণ বলেন, ‘‘আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা থেকে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। কিন্তু সেদিন রাতে পরিবারসহ আমার বাড়িতে থাকার কথা থাকলেও রংপুর থেকে আসতে পারিনি। এ কারণে বেঁচে গেছি। আমি থানায় অভিযোগ করেছি। আশাকরি পুলিশ তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।’’
ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন বলেন, ‘‘প্রবাসী চিকিৎসক রোকনুজ্জামান কিরণ আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন। এ কারণে তাকে ভয় দেখানোর জন্য এমন করা হতে পারে বলে স্থানীয় এবং ভুক্তভোগীর সাথে কথা বলে বোঝা যাচ্ছে।’’
ঢাকা/সৈকত//
পর্যায়ক্রমে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী