ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ০৭ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ২৪ ১৪৩৩ || ২০ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

বগুড়া এয়ারফিল্ডকে বিমানবন্দর করার পরিকল্পনা 

বগুড়া প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:১৬, ৭ মে ২০২৬  
বগুড়া এয়ারফিল্ডকে বিমানবন্দর করার পরিকল্পনা 

বগুড়া এয়ারফিল্ডকে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দরে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। একইসঙ্গে এখানে বিমান বাহিনীর একটি পূর্ণাঙ্গ ঘাঁটি এবং পাইলট তৈরির জন্য আধুনিক ফ্লাইং একাডেমি স্থাপনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বগুড়া এয়ারফিল্ড পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বগুড়ায় উত্তরবঙ্গের প্রথম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গড়ে তোলা হবে। 

বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, “কার্গো সুবিধা নিশ্চিত করে এ অঞ্চলের কৃষিপণ্য ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য সরাসরি বিদেশে রপ্তানির সুযোগ তৈরি করা হবে।”

এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, বিমানবন্দরের জন্য ১০ হাজার ৫০০ ফুট দৈর্ঘ্যের রানওয়ে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্রুত ফিজিবিলিটি স্টাডি শুরু হবে। ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্তদের বাজারমূল্যের তিন গুণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, “বগুড়ার কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি হওয়ায় এখানে একটি অত্যাধুনিক বিমানঘাঁটি স্থাপনের প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।” 

তিনি জানান, নতুন জঙ্গি বিমান কেনার প্রক্রিয়া চলছে এবং সেগুলো বগুড়া ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হবে, যা দেশের আকাশসীমা সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে।

বেসামরিক বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, “দেশে দক্ষ বৈমানিকের অভাব পূরণে বগুড়ায় উন্নত ফ্লাইং একাডেমি গড়ে তোলা হবে, যেখানে আন্তর্জাতিক মানের পাইলট প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।”

প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, “কোনো ধরনের দীর্ঘসূত্রতা না করে দ্রুত বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালুর লক্ষ্যে বেবিচককে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।” 

পরিদর্শনকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বগুড়াসহ উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঢাকা/এনাম/রফিক

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়