শিল্পীদের চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়েই নির্বাচনে আসছি: বাপ্পারাজ
বাপ্পারাজ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে একসঙ্গে দেখা যাবে কিংবদন্তি দুই পরিবারের উত্তরসূরিদের। সংগঠনটির সভাপতি পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ। অন্যদিকে, একই প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছেন চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি।
বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি। অন্যদিকে, বরেণ্য অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগমও অতীতে সমিতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার তাদেরই উত্তরসূরিরা শিল্পীদের নেতৃত্বে আসতে যাচ্ছেন।
সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাপ্পারাজ বলেন, “চেয়েছিলাম বাবার কবর জিয়ারত করে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানাব। কিন্তু তার আগেই খবরটি গণমাধ্যমে চলে এসেছে। তবে এর একটা ভালো দিকও হয়েছে। অনেক শিল্পী ফোন করে, বার্তা পাঠিয়ে শুভকামনা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সবার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখছি। শিল্পীরা চান আমি যেন শিল্পী সমিতির হাল ধরি। তাদের সেই চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়েই দায়িত্ববোধ থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করে ‘প্রেমের সমাধি’খ্যাত এই নায়ক বলেন, “আমার বাবা শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন। আমিও আগে কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছি। আনোয়ারা বেগমও সমিতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মুক্তিও এর আগে দায়িত্ব পালন করেছে। আমরা নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করে শিল্পীদের জন্য কাজ করতে চাই। ইতোমধ্যে বেশ কিছু পরিকল্পনা করেছি। শিল্পীরা সুযোগ দিলে তাদের কল্যাণে সেসব বাস্তবায়ন করব। সবার ভালোবাসা ও দোয়া চাই।”
বাপ্পারাজ ও মুক্তি জানিয়েছেন, শিল্পী সমিতির সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়েই তারা নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন। তাদের প্যানেলে নবীন ও প্রবীণ অনেক তারকা শিল্পী থাকার কথাও জানা গেছে।
এদিকে, বাপ্পারাজ-মুক্তি প্যানেলের পাশাপাশি আরো একটি প্যানেল নির্বাচনে অংশ নিতে পারে বলেও চলচ্চিত্রপাড়ায় আলোচনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল শেষ হয়েছে মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজলের নেতৃত্বাধীন ২০২৪-২৬ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদের দায়িত্বকাল। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যেই নতুন নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই হিসাবে খুব শিগগির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।
ঢাকা/রাহাত/শান্ত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ৭ জুন