ঢাকা     মঙ্গলবার   ১২ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ২৯ ১৪৩৩ || ২৫ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

খুবির সহকারী রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২২:১২, ১২ মে ২০২৬  
খুবির সহকারী রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

সহকারী রেজিস্ট্রার ইউসুফ রায়হান।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ইউসুফ রায়হানের বিরুদ্ধে প্রায় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। তিনি বিভাগীয় প্রধান এবং কোর্স সমন্বয়কারীর স্বাক্ষর জাল করে এক্সিকিউটিভ এমবিএ (ইএমবিএ) প্রোগ্রামের অ্যাকাউন্ট থেকে এ অর্থ উত্তোলন করেছেন। 

সোমবার (১১ মে) শিক্ষার্থীরা তাদের সেমিস্টার রেজিস্ট্রেশনের তথ্য যাচাই করতে বিভাগে গেলে আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত ইউসুফ রায়হান পলাতক রয়েছেন।

আরো পড়ুন:

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম এ সব তথ্য জানিয়েছেন। 

ক্ষতিগ্রস্ত খুবির বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তারা ইএমবিএ প্রোগ্রামের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ইউসুফ রায়হানের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে সেমিস্টার ও পরীক্ষার ফি জমা দিয়েছেন।

জাওয়াদ নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, “এই সেমিস্টারসহ আমরা সবসময় রায়হানের মাধ্যমে আমাদের ফি জমা দিয়েছি। কিন্তু যখন আমরা আমাদের রেজিস্ট্রেশন স্ট্যাটাস চেক করি, তখন দেখতে পাই যে পেমেন্ট জমা হয়নি এবং আমাদের কোর্সগুলো সম্পন্ন হিসেবে দেখানো হচ্ছে না।”

আরেক শিক্ষার্থী সৌমেন হতাশা প্রকাশ করে বলেন, “প্রথম সেমিস্টার থেকে আমরা তার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ফি পরিশোধ করে আসছি। আমরা কখনো কল্পনাও করিনি যে তিনি এভাবে আমাদের টাকা আত্মসাৎ করবেন।”

কোর্স সমন্বয়কারী অধ্যাপক এস. এম. জহিদুর রহমান বলেন, জাল স্বাক্ষরযুক্ত চেকের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।

এই অভিযোগের পর থেকে ইউসুফ রায়হানকে তার কর্মস্থলে দেখা যায়নি। তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করাও সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম বলেন, সহকারী রেজিস্ট্রার ব্যাংক থেকে টাকা তোলার জন্য তার নিজের এবং কোর্স কো-অর্ডিনেটরের স্বাক্ষর জাল করেছেন। উত্তোলিত অর্থের মধ্যে শিক্ষার্থীদের সেমিস্টার ফি, পরীক্ষার ফি এবং অন্যান্য প্রোগ্রাম-সম্পর্কিত অর্থ রয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

ঢাকা/নুরুজ্জামান/বকুল 

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়