ঋতুবৈচিত্রের বার্তা নিয়ে জাবিতে কৃষ্ণচূড়া উৎসব উদযাপন
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষ্ণচূড়া উৎসবে অতিথিরা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে গ্রীষ্মের রঙিন আবহে উদযাপিত হয়েছে ‘কৃষ্ণচূড়া উৎসব ২০২৬’।
প্রকৃতি, ঋতুবৈচিত্র্য ও বাংলার নান্দনিক সৌন্দর্যকে ঘিরে আয়োজিত এ উৎসবে অংশ নেন আলোকচিত্রী, শিক্ষার্থী, সংস্কৃতিকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
শুক্রবার (১৫ মে) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসবটির আয়োজন করে একদল প্রকৃতিপ্রেমী তরুণ। এই আয়োজনে সহযোগিতা করে জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ফটোগ্রাফিক সোসাইটি (জেইউপিএস)। স্পন্সর করে সিরাভিক্স।
আয়োজকেরা জানান, গত পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে এই উৎসব আয়োজন করা হচ্ছে। তাদের বিশ্বাস, জাপানের সাকুরা উৎসব যেমন প্রকৃতিপ্রেম ও সাংস্কৃতিক সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে, তেমনি বাংলাদেশের কৃষ্ণচূড়া, জারুল ও সোনালুর মতো গ্রীষ্মকালীন ফুলও দেশের সংস্কৃতি ও ঋতুচেতনার অনন্য প্রতীক হয়ে উঠতে পারে।
উৎসবে ছিল আলোকচিত্র প্রদর্শনী, আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন। ক্যাম্পাসজুড়ে ফুটে থাকা কৃষ্ণচূড়ার লাল আভা উৎসবের আবহকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলে।
“কৃষ্ণচূড়া উৎসব ২০২৬”-এর আয়োজক রাজীব রানা দাশ বলেন, “ধীরে ধীরে এই আয়োজন সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকৃতিকে ঘিরে মানুষের মধ্যে ভালোবাসা ও সচেতনতা তৈরি করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।”
ন্যাচার ফটোগ্রাফার্স ক্লাবের সদস্যসচিব নাজমুল হোসেন বলেন, “একদিন এই উৎসব দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরেও পরিচিতি লাভ করবে এমনটি আশা করছি।”
সংগঠনটির সদস্য শরীফুদ্দিন অপূর্ব বলেন, “দেশের প্রাণপ্রকৃতি রক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দিতে কৃষ্ণচূড়া উৎসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সভাপতি জাহিদ হোসেন জানান, ফটোগ্রাফির মাধ্যমে প্রকৃতির প্রতি মানুষের ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে তারা কাজ করছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এই উৎসবে যুক্ত হয়েছেন তারা।
ঢাকা/সাব্বির/মাসুদ