ঢাকা     মঙ্গলবার   ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ||  বৈশাখ ১৫ ১৪৩৩ || ১১ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

ওয়ালটনে জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:১৯, ২৮ এপ্রিল ২০২৬  
ওয়ালটনে জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস পালিত

ওয়ালটন আয়োজিত জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবসের র‌্যালি।

জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল)।

এবারের দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে-‘মনোসামাজিক স্বাস্থ্য নিশ্চিত করি, শোভন কর্মপরিবেশ গড়ি’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ‘নিরাপত্তা দিবসের প্রত্যয় আজ, পারমিট নিয়ে করবো কাজ’ স্লোগানে নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করেছে দেশের সুপারব্র্যান্ড ও টেক-জায়ান্ট ওয়ালটন।

আরো পড়ুন:

সকালে গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্স প্রাঙ্গণে সেইফটি সচেতনতামূলক এক বিশেষ র‍্যালি বের হয়। এরপর আলোচনা সভার মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অ্যানভায়রনমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড সেইফটি (ইএইচএস) বিভাগের প্রতিনিধিরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ওয়ালটন তার প্রতিটি কর্মীর সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। শিল্প কারখানায় দুর্ঘটনা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে এবং আন্তর্জাতিক মানের সেইফটি স্ট্যান্ডার্ড (ISO 45001) বজায় রাখতে ইএইচএস বিভাগ নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে মেশিনারিজ সেইফটি, কেমিক্যাল হ্যান্ডলিং এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের শ্রম আইন ও বিএনবিসি বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে ইএইচএস বিভাগের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে সচেতনতামূলক র‌্যালি, আলোচনা সভা, আইডিয়া শেয়ারিং এবং ‘নেয়ারমিস ও হ্যাজার্ড রিপোর্টিং’ কনটেস্টে অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী এবং উপস্থিত সবার মাঝে পরিবেশ বন্ধু গাছ ও লাইভ সেভিং কার্ড বিতরণ ইত্যাদি।

অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ ইউসুফ আলী। তার উপস্থিতিতে কর্মীদের মাঝে পেশাগত স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে সচেতনতামূলক র‌্যালি বের করা হয়।

ইউসুফ আলী বলেন, “সুস্থ শ্রমিক ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমেই আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে চাই। ওয়ালটন সব সময় আন্তর্জাতিক মানের সেইফটি কমপ্লায়েন্স মেনে চলে। ভবিষ্যতেও প্রতিটি কর্মীর জন্য বিপদমুক্ত কর্মস্থল নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সব সময়ই আমাদের প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য।”

ওয়ালটন তার পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে বহু কর্মসূচি চলমান রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-কর্মক্ষেত্রের ঝুঁকি নিরুপণ, প্রশিক্ষণ প্রদান, থার্ড পার্টি অডিট, দুর্ঘটনা পরবর্তী তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়মিত ফায়ার ড্রিল, ভাল কাজে পুরস্কার প্রদান, ঝুকিপূর্ণ কাজে পারমিট গ্রহণ, সময়োপযোগী বিভিন্ন ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা, ভিজুয়াল অ্যাওয়ার্নেস তৈরি ইত্যাদি। একজন সুস্থ ও সুরক্ষিত কর্মী কোম্পানির সম্পদ। তারা কোম্পানির উন্নয়নে অনেক অবদান রাখতে পারেন। ওয়ালটন শ্রমিক কল্যাণ তহবিল ও সরকারি শ্রমিক কল্যাণ তহবিল থেকে দুর্ঘটনাকবলিত কর্মীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এর বিজনেস কো-অর্ডিনেটর প্রতিক কুমার মোদক, ইএইচএস বিভাগের প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান রাজু, প্রশাসন বিভাগের প্রধান তানভীর আহমেদ এবং বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর প্রতিনিধিরা।

 

ঢাকা/মাহফুজ/সাইফ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়