এলপিজি সংকট কাটেনি, ভোগান্তি
ফাইল ছবি
গ্যাস সংকটে জনজীবনে এখনো বিপর্যয় কাটেনি। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এখনো গ্যাস সংকট চরমে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেট ও হাজারীবা ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানায় যায়, বাজারে চাহিদা তুলনায় তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজির) সরবরাহ কম। তাই অনেকের কাছে বাড়তি দামে একটা সিলিন্ডার পেলে ‘সোনার হরিণ’ জেতার সমান।
রাজধানীর হাজারীবাগে এলপিজি সিলিন্ডার নিতে আসেন গৃহিণী ফরিদা আখতার। তিনি রাইজিংবিডি ডটকমকে বলেন, “বাসায় গ্যাস শেষ। অনেক দোকান ঘুরে একটা সিলিন্ডার পেয়েছি।”
নিউমার্কেটের রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান রাইজিংবিডি ডটকমকে বলেন, “এখন আগের মত সব আইটেমের রান্না করতে পারছি না গ্যাসের জন্য। আর এখন যে গ্যাসের দাম তা দিয়ে রান্না করে, দোকান ভাড়া ও কর্মচারীদের বেতন দিয়ে চালা অনেক কষ্ট।”
কারওয়ান বাজারের এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রেতা সাজ্জাদুল ইসলাম রাইজিংবিডি ডটকমকে বলেন, “বড় বড় কোম্পানিগুলো থেকে চাহিদামতো সিলিন্ডার সরবরাহ করছে না। ডিলারা বলছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও ডলার সংকটে দেশের চাহিদা তুলনায় এলপিজি আমদানি কম, তাই স্বাভাবিক সময়ের মত সব দোকানে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।”
সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি করা হচ্ছে ক্রেতাদের এমন অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমরা সরকার নির্ধারিত দামেই বিক্রি করছি। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী থাকতে পারে বেশি লাভের আশায় এই সংকটকে কাজে লাগিয়ে অতি মুনাফা করেছ।”
এর আগে গত ২ এপ্রিল নতুন দাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম এপ্রিলে প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা। এতে বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম হয়েছে ১ হাজার ৭২৮ টাকা। গত মাসে দাম ছিল ১ হাজার ৩৪১ টাকা। ১২ কেজিতে দাম বেড়েছে ৩৮৭ টাকা।
এর আগে গত ফেব্রুয়ারির শুরুতে ১২ কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। এরপর এলপিজির আমদানি শুল্ক কমানোর পর ২৪ ফেব্রুয়ারি দাম সমন্বয় করে ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা করা হয়।
ঢাকা/রায়হান/সাইফ
২৪ ঘণ্টায় হামে মৃত্যু ৫, আক্রান্ত ১১১৫