ঢাকা     সোমবার   ২৫ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪৩৩ || ৯ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

জমজমাট কমলাপুর পশুর হাট

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:৫৪, ২৫ মে ২০২৬  
জমজমাট কমলাপুর পশুর হাট

ছবি: রাইজিংবিডি

রাজধানীর কমলাপুর পশুর হাট জমজমাট। সোমবার (২৫ মে) সরেজমিন ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

কমলাপুর রেলস্টেশনের আশপাশের খালি জায়গা, টিটিপাড়া, মুগদা স্টেডিয়ামে সামনের খালি জায়গা, ক্লাবের ফুটবল মাঠ  ও আশপাশের সড়কগুলোতে বাঁশের খুঁটি গেড়ে ঘেরা তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পশুগুলোকে সেসব নির্ধারিত স্থানে সারিবদ্ধভাবে গরু বেঁধে রেখেছেন ব্যাপারিরা। করছেন পরিচর্যা। সড়কপথে ট্রাক এবং ট্রেনযোগে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, যশোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, ময়মনসিংহ থেকে বেশিরভাগ পশু এই হাটে  এসেছে বলে ব্যাপারীরা জানিয়েছেন।

আরো পড়ুন:

হাটে কুষ্টিয়া থেকে আসা ‘কালা মানিক'কে অনেককেই দেখছেন। দামাদামি করছেন ক্রেতা-বিক্রেতা। দাম হাকানো হচ্ছে ৫ লাখ টাকা। গরুর ব্যাপারি মো. আজিজুল বলেন, “লালন-পালন করে কালো মানিককে বড় করেছি। তার পেছনে শ্রমই নয়, অনেক টাকাও ব্যয় হয়েছে। এ কারণে একটু দাম বেশি। তারপরও দাম-দরের সুযোগও আছে।”

রাজশাহীর গোদাগাড়ির ব্যাপারি হেকমত উল্লাহ বলেন, “৯টি গরু নিয়ে এসেছি। ২টা বিক্রি হয়েছে। বাকিগুলো বিক্রি করে ইনশাল্লাহ বাড়ি যাব।”

মাদারটেক থেকে ঈদের পশু কিনতে আসা সরকারি চাকরিজীবী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “গরু কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু ব্যাপারিরা যে দাম চাচ্ছেন, তাতে গরু কেনা একটু কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। তারপরও হাটে ঘুরে দেখছি দাম এবং সাধ্যের মধ্যে থেকে একটি গরু কেনার চেষ্টা করছি।”

এক লাখ দশ হাজার টাকা দিয়ে মাঝারি সাইজের একটি গরু নিয়ে বাসায় যাচ্ছিলেন মান্ডার বাসিন্দা সোহরাব হোসেন। তিনি বলেন, “গতবার ৯০ হাজার টাকা দিয়ে কোরবানি করেছিলাম।  এবার একটু বেশি দাম  দিয়েই কিনতে হলো। দামের কখন কি হয়, এ কারণেই একটু আগে থেকেই গরুটি কেনা।”

হাটের ইজারাদার ইসমাইল হোসেন বলেন, “গতবারের তুলনায় এবার বেশি পশু এসেছে। বেচা-বিক্রিও বেশি হবে বলেও আশা করছি। হাটে যেন কোন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য নিজস্ব ভলেন্টিয়ার দিয়ে সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হয়েছে।”

মতিঝিল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, “এখনো পর্যন্ত হাটে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার ঘটেনি। পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দারাও এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যাচ্ছে। চুরি, ছিনতাই, অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ম্য জাল টাকা ব্যবহাররোধসহ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পোশাক পরিহিত পুলিশের সঙ্গে গোয়েন্দারা নজরদারিতে আছে।”

ঢাকা/এমআর/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়