‘আমার লাগেজ থেকে অবৈধ কিছু উদ্ধারের কোনো প্রমাণ আছে?’
বিনোদন ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম
মেহজাবীন চৌধুরী
বিদেশ থেকে অবৈধভাবে মদ আনার সময়ে বিমানবন্দরে ধরা পড়েছিলেন দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। এ সময় সঙ্গে ছিলেন তার স্বামী পরিচালক-প্রযোজক আদনান আল রাজীব ও চলচ্চিত্র পরিচালক শঙ্খ দাসগুপ্ত। কিন্তু রহস্যজনক কারণে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের ছেড়ে দেন। দেশের বেশ কটি গণমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে।
এ নিয়ে জোর চর্চা হলেও পুরোপুরি নীরব ভূমিকায় ছিলেন মেহজাবীন চৌধুরী। নীরবতা ভেঙে এই অভিনেত্রী বললেন, “আমার বিরুদ্ধে এই সকল অভিযোগ অমূলক। আমি আবারো বলছি, এই ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনায় আমাকে জড়িয়ে যা প্রকাশিত হয়েছে সেই ব্যাপারে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।”
এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন মেহজাবীন চৌধুরী। এ তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক যে ঘটনা নিয়ে আমাকে উদ্দেশ্য করে মানহানিকর প্রচার চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে আমি ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এ প্রসঙ্গে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই।”
মেহজাবীন চৌধুরী বলেন, “প্রথমত. উল্লেখিত কোনো ঘটনায় আমাকে কখনোই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি। আমার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি; আমার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে উল্লেখিত অভিযোগের কিছু পাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। যেসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সেরকম কোনো ঘটনার মুখোমুখি আমি হইনি। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা আমাকে কোনো রূপ জিজ্ঞাসাবাদও করেননি।”
প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে মেহজাবীন চৌধুরী বলেন, “আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার, আমার লাগেজ থেকে অবৈধ কিছু বের হওয়ার কোনো ছবি, ভিডিও বা কোনো ধরনের প্রমাণ কি আছে?”
হতাশা ও একইসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করে মেহজাবীন চৌধুরী বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানহানি এখন খুব স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যে খবরটি ছড়ানো হয়েছে, তার নিরিখে একটিও প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি যে, আমার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়া গেছে। অথচ ক্লিকবাইটের জন্য আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারুরই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া কাম্য নয়।”
ঢাকা/শান্ত