ঢাকা     রোববার   ৩১ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ১৭ ১৪৩৩ || ১৫ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

গরুর হাটে গিয়ে কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছিলাম: শবনম ফারিয়া

রেজওয়ান রোহান || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৪৭, ৩১ মে ২০২৬   আপডেট: ১৭:৫৫, ৩১ মে ২০২৬
গরুর হাটে গিয়ে কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছিলাম: শবনম ফারিয়া

ঈদুল আজহা মানেই কোরবানির পশু কেনা, হাটের ব্যস্ততা আর কোরবানির প্রস্তুতি। সাধারণ মানুষের মতো তারকাদেরও থাকে ঈদের অভিজ্ঞতা। কোরবানির ঈদ নিয়ে শৈশব ও বর্তমান সময়ের স্মৃতি রাইজিংবিডির সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। 

জীবনে একবারই পশুর হাটে গিয়েছিলেন তিনি। ছোটবেলার মজার একটি অভিজ্ঞতার পর কখনো হাটমুখো হননি এই অভিনেত্রী। হাটে যাওয়ার সেই মজার স্মৃতি জানতে চাইলে শবনম ফারিয়া বলেন, “জীবনে আমি একবারই হাটে গিয়েছিলাম, তখন অনেক ছোট ছিলাম। বাচ্চাদের তো এমনিতেই পশুপাখি ভালো লাগে। তাই বাবার সঙ্গে হাটে গিয়েছিলাম। কিন্তু হাটের গেটের সামনে গোবর দেখেই কান্নাকাটি শুরু করে দিই! আমার কান্না দেখে বাবা আমাকে বাসায় পাঠিয়ে দেন। এরপর কোনোদিন আমি আর হাটে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করিনি।”

আরো পড়ুন:

হাটে না গেলেও প্রতিবারই কোরবানি দেন তিনি। বাবা না থাকায় এই দায়িত্ব নিজে থেকে পালন করেন তার ছোট দুলাভাই। শবনম ফারিয়া বলেন, ‘‘দুলাভাই থাকায় এখন আর  হাটে যেতে হয় না। তিনি তার পছন্দমতো গরু কিনে নিয়ে আসেন। আমরা পরে টাকা দিয়ে দেই। দুলাভাই না থাকলে হয়তো অপশন ছিল না; হাটে যেতে হতো।”

কোরবানির পশুর ক্ষেত্রে সবসময় খাসি পছন্দ শবনম ফারিয়ার। কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “আম্মা গরু কোরবানি দেয় দেখে আমি সবসময় খাসি কোরবানি দিতাম। এবার শ্বশুরবাড়িতে গরু কোরবানি দেওয়া হবে। ফলে আমি খাসি কোরবানি দিয়েছি।”

ঈদের আসল আনন্দ কোথায়—মনে করিয়ে দেন শবনম ফারিয়া। এ অভিনেত্রীর ভাষায়—“নিজে হাটে না গেলেও ঈদের আগের রাতের আমেজটা আমার কাছে অন্যরকম লাগে। কে কী কোরবানি দিচ্ছেন, তা ঈদের আগের রাতে দেখি। এটাই তো কোরবানির আসল আনন্দ।”

ঢাকা/শান্ত//

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়