ঢাকা     বুধবার   ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ||  পৌষ ৩০ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

আমি জিততে পছন্দ করি, ইরানে আমার চূড়ান্ত লক্ষ্য জয়ী হওয়া: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:০২, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ১১:০৬, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
আমি জিততে পছন্দ করি, ইরানে আমার চূড়ান্ত লক্ষ্য জয়ী হওয়া: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান ইস্যুতে তার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো জয়ী হওয়া। তিনি বলেন, ‘আমি জিততে পছন্দ করি।” মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এমন মন্তব্য করেন।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস। 

আরো পড়ুন:

প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে আরো বলেন, ইরানে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি কার্যকর করা হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব কঠিন পদক্ষেপ’ নেবে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৩ জানুারি) সিবিএস নিউজকে ট্রাম্প জানান, ইরানে বিক্ষোভকারীদের জন্য অনেক উপায়ে সহায়তা আসছে। আমাদের দিক থেকে অর্থনৈতিক সহায়তাও রয়েছে।

তিনি দাবি করেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ বিপুল সংখ্যক বিক্ষোভকারীকে হত্যা করেছে। তবে হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো স্পষ্ট নয় বলেও জানান ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “কতজনকে (ইরান) হত্যা করেছে- এ বিষয়ে কেউই আমাদের সঠিক সংখ্যা দিতে পারেনি। তবে মনে হচ্ছে সংখ্যাটি উল্লেখ্যযোগ্য হতে পারে।”

ইরানে চূড়ান্ত লক্ষ্য কী জানতে চাইলে সিবিএস নিউজকে ট্রাম্প বলেন, “শেষ লক্ষ্য হলো জয়ী হওয়া। আমি জিততে পছন্দ করি।”

সাক্ষাৎকারটি ট্রাম্পের মিশিগান সফরের সময় নেওয়া হয়, যেখানে তিনি একটি উৎপাদন কারখানা পরিদর্শন করেন ও অর্থনীতির ওপর ভাষণ দেন।

ফেরার পথে এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, “ইরানে যা ঘটছে তা আমরা দেখতে চাই না। আপনারা জানেন, তারা যদি প্রতিবাদ করতে চায় সেটি এক বিষয়, কিন্তু যখন তারা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করতে শুরু করে এবং এখন আপনারা আমাকে ইরানি কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি কার্যকর করতে যাওয়ার খবর দিয়েছেন- আমরা দেখব তাদের জন্য এর পরিণতি কী হয়। এটি তাদের জন্য মোটেও ভালো হবে না।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর আগেও সতর্ক করে বলেছিলেন যে, ইরানে বিক্ষোভকারী নিহত হলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করবে। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর দাবি, ইরান সরকার সেই সীমা ইতিমধ্যেই অতিক্রম করেছে।

তেহরানের প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, কিছু বন্দি ‘মোহারেবেহ’ বা ‘স্রষ্টার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার’ মতো গুরুতর অভিযোগের সম্মুখীন হতে পারেন, যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, “উদ্বেগ বাড়ছে যে ইরানি কর্তৃপক্ষ ভিন্নমত দমন ও ভীতি প্রদর্শনের জন্য আবারও দ্রুত বিচার ও যথেচ্ছ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পথ বেছে নিতে পারে।”

নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘ইরান হিউম্যান রাইটস’ ২৬ বছর বয়সী এরফান সোলাতানি নামের একজন বিক্ষোভকারীর ঘটনা প্রকাশ করেছে। গত সপ্তাহে তেহরানের পার্শ্ববর্তী শহর কারাজ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, সোলাতানিকে ইতিমধ্যেই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং বুধবারের মধ্যেই তার ফাঁসি কার্যকর হতে পারে।

ঢাকা/ফিরোজ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়