ঢাকা     শনিবার   ০৯ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ২৬ ১৪৩৩ || ২১ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

‘বাংলাদেশিদের ভারতে অনুপ্রবেশ কোনো সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নয়’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১০:৫৪, ৯ মে ২০২৬   আপডেট: ১০:৫৬, ৯ মে ২০২৬
‘বাংলাদেশিদের ভারতে অনুপ্রবেশ কোনো সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নয়’

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতে স্রেফ অনুপ্রবেশ কোনো সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নয়। শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ একটি মামলার জামিন শুনানিতে এই মন্তব্য করেছে।

শুক্রবার সঞ্জয় অমল চন্দ্র দাস ওরফে সুজীব নামের এক বাংলাদেশির জামিন শুনানি চলছিল আদালতে। সুজীবকে ২০২৩ সালের নভেম্বরে বেঙ্গালুরুতে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি জাল পাসপোর্ট নিয়ে ১০ বছর ধরে শহরে অবস্থান করছিলেন এবং ভারতে বাংলাদেশিদের অবৈধ অভিবাসনে সহায়তা করছিলেন।

আরো পড়ুন:

অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসডি সঞ্জয় আদালতে বলেন,যদিও এই মামলার অন্য অভিযুক্তদের জামিন দেওয়া হয়েছে, বর্তমান আবেদনকারী জাল নথি ব্যবহার করে বাংলাদেশি<দের ভারতে পাচারকারী একটি চক্রের অংশ হওয়ায় তিনি জামিনের যোগ্য নন। 

বিচারপতি বাগচী বলেন, “অবৈধ অভিবাসন কোনো সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নয়। শুধুমাত্র বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বা কোনো কাগজপত্র ছাড়াই সীমান্ত পার হলেই, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ হিসেবে গণ্য হতে পারে এমন অন্য কোনো প্রকাশ্য পদক্ষেপ ছাড়া তা সন্ত্রাসী কার্যকলাপ হয়ে যায় না।”

প্রধান বিচারপতি কান্ত বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের একটি অরক্ষিত সীমান্ত রয়েছে। অবৈধভাবে অভিবাসন করা সত্ত্বেও বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি ভারতে বসবাস করছেন।”

বেঞ্চ সঞ্জয় দাসকে জামিন মঞ্জুর করলেও, তাকে সপ্তাহে একবার বেঙ্গালুরুর এনআইএ কর্মকর্তার কাছে হাজিরা দিতে বলেছে।

এর আগে কর্ণাটক হাইকোর্ট সঞ্জয় দাসের   জামিন নামঞ্জুর করেছিল। ওই সময় কর্ণাটক হাইকোর্ট বলেছিল, “আপিলকারী একজন বাংলাদেশি এবং নথিতে থাকা তথ্যপ্রমাণ থেকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, একই দিনে কর্ণাটক ও আসাম উভয়স্থানেই আধার কার্ডের নথি তৈরি করা হয়েছিল। সেই নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তাতে ছবি যুক্ত করে আধার কার্ড সংগ্রহ করা হয় এবং সেই নথির ভিত্তিতে পাসপোর্টও সংগ্রহ করা হয় ও তিনি পাঁচবার বাংলাদেশে ভ্রমণ করেন। অভিযুক্তকে জামিন দেওয়া হলে তার বিচার থেকে পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

বাংলাদেশি নাগরিকদের পশ্চিমবঙ্গে  অনুপ্রবেশে সহায়তা করার অভিযোগের বিরুদ্ধে তীব্র নির্বাচনী প্রচারণা চালানো বিজেপি বলেছিল, ‘ঘুষপৈঠিয়ারা’ (অনুপ্রবেশকারী) জাতীয় অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি। 

ঢাকা/শাহেদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়