ঢাকা, রবিবার, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

ওয়াসার এমডির ক্ষমার আবেদন গ্রহণ করেননি হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১২-০৩ ৯:৫০:৫১ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১২-০৩ ১০:০১:২২ পিএম

বুড়িগঙ্গা নদীতে যে ৬৭/৬৮টি সুয়ারেজ লাইন পড়েছে তার মধ্যে ঢাকা ওয়াসার ১৬টি এ সংক্রান্ত  প্রতিবেদনসহ ওয়াসার এমডির নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে দাখিল করা লিখিত বক্তব্য উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এর আগে গত ১৮ জুন ওয়াসার দেওয়া এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বুড়িগঙ্গায় ওয়াসার কোনো সুয়ারেজ লাইন নেই। এই দুই ধরনের প্রতিবেদনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

আদালত ওয়াসার বিষয়ে আগামী ৮ ডিসেম্বর পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন।

একইসঙ্গে বুড়িগঙ্গায় দুই পাড়ে ৬৭/৬৮টি সুয়ারেজ লাইনের বাইরে যদি আরো কোনো ড্রেন বা সুয়ারেজ লাইন থাকে তবে তা ৭ জানুয়ারির মধ্যে বন্ধ করতে বিআইডব্লিউটিএ-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ’র হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে ওয়াসার পক্ষে শুনানি ব্যারিস্টার এ এম মাছুম। বিআইডব্লিউটিএ’র পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মফিজুর রহমান। পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আমাতুল করিম।

আইনজীবীরা জানান, গত ১৮ জুন ওয়াসার দেওয়া এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বুড়িগঙ্গায় ওয়াসার কোনো সুয়ারেজ লাইন নেই। কিন্তু এরপর পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন এলাকায় ৬৮টি স্থান দিয়ে দূষিত বর্জ্য বুড়িগঙ্গায় ফেলা হচ্ছে। এরমধ্যে ৫০টি ওয়াসার সুয়ারেজ লাইন। এই দুই প্রতিবেদন দেখার পর গত ১৭ নভেম্বর ওয়াসার এমডিকে শোকজ করেন হাইকোর্ট।

শোকজ নোটিশ আদালতের আদেশ অমান্য করা এবং মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। ১৫ দিনের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়।

এ অবস্থায় ওয়াসার এমডির একটি জবাব ২ ডিসেম্বর হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। এতে বলা হয়, বুড়িগঙ্গায় ৬৭টি স্থান দিয়ে বর্জ‌্য পড়ছে। তারমধ্যে ওয়াসার লাইন ১৬টি। তাতে ২০১১ সালে হাইকোর্টের দেওয়া রায় যথাযথ বাস্তবায়ন না করায় নিঃশর্ত ক্ষমা চান। ওয়াসার এই দুই ধরণের প্রতিবেদনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন হাইকোর্ট।


ঢাকা/মেহেদী/সনি

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন