ঢাকা     মঙ্গলবার   ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||  আশ্বিন ১২ ১৪২৯ ||  ২৯ সফর ১৪৪৪

২০২৩ সালের মার্চের মধ্যে পি কে হালদারকে ফেরত পাঠাবে ভারত

নিউজ ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:২৭, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২   আপডেট: ১৬:২৮, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২
২০২৩ সালের মার্চের মধ্যে পি কে হালদারকে ফেরত পাঠাবে ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় আগামী বছর (২০২৩ সাল) মার্চের মধ্যেই বাংলাদেশে ফেরানো হবে অর্থ পাচারকারী এন আর বি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদার ও তার পাঁচ সহযোগীকে। 

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

এদিন নবমবারের মতো কলকাতার নগর দায়রা আদালতের (ব্যাঙ্কশাল) সিবিআই স্পেশাল কোর্টে অভিযুক্তদের তোলা হয়। পরে পিকে হালদারসহ ছয় জনকে আরও ৫৬ দিন কারাগার রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালতের বিচারক। আর এই সময় প্রয়োজন হলে ইডি তদন্তকারীরা চাইলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন।  

স্থানীয় সময় দুপুর ১টা নাগাদ তাদের আদালতে তোলা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে সিবিআই স্পেশাল কোর্ট-৪ বিচারক বিদ্যুৎ কুমার রায় ৫৬ দিন পরে আগামী ১৭ নভেম্বর অভিযুক্তদের ফের আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন। 

ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, অভিযুক্ত প্রত্যেককেই আগামী ১৭ নভেম্বর ফের আদালতে তোলা হবে এবং ততদিন পর্যন্ত তারা কারাগারেই থাকবেন। প্রয়োজনে ইডির কর্মকর্তারা কারাগারে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন।

অরিজিৎ চক্রবর্তী জানান, কারাগারে থাকাকালীন অবস্থায় অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে নতুন কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি বা নতুন কোনও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হযনি। এই মুহূর্তে অভিযুক্ত পিকে হালদারসহ পাঁচ পুরুষ অভিযুক্ত রয়েছেন প্রেসিডেন্সি কারাগারে। অন্যদিকে একমাত্র নারী অভিযুক্ত রয়েছেন আলিপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে। 

এর আগে, চলতি বছরের ১১ জুলাই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কলকাতার আদালতে চার্জশিট দেয় ইডি। ১০০ পাতার ওই চার্জশিটে পিকে হালদারসহ ছয় অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম রয়েছে। এক্ষেত্রে কেবলমাত্র ‘প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-২০০২’ (PMLA) মামলায় ওই ছয় অভিযুক্তের নামে চার্জ গঠন করা হয়েছে। চার্জশিটে নাম রয়েছে তাদের দুটি সংস্থার।

ইডির পক্ষ থেকে আজ সাড়ে ৪ হাজার পাতার যে Relied Upon Documents (RUD)-এর কপি জমা দেওয়া হয়েছিল, সেই কপি অভিযুক্তদের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং অভিযুক্তরা তাতে স্বাক্ষরও করেন। সেক্ষেত্রে আগামী ১৭ নভেম্বর এই কপি যাচাই করে অভিযুক্তরা আদালতে জানাবেন। 

উল্লেখ্য, গত ১৪ মে কলকাতার বর্ধমান ও অশোকনগরের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে পি কে হালদার, তার ভাই প্রাণেশ হালদার, স্বপন মিস্ত্রি ওরফে স্বপন মৈত্র, উত্তম মিস্ত্রি ওরফে উত্তম মৈত্র, ইমাম হোসেন ওরফে ইমন হালদার এবং আমানা সুলতানা ওরফে শর্মী হালদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।  

ঢাকা/এনএইচ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়