শ্যামলীতে হাসপাতালে চাঁদা দাবি: মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭
ফাইল ফটো
ঢাকার শ্যামলীতে কিডনি চিকিৎসক কামরুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গ্রেপ্তারদের মধ্যে যুবদলকর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া মঈন উদ্দিনও আছেন।
সোমবার( ১৩ এপ্রিল) সকালে র্যাব-২ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার আরো ছয়জন হলেন, সুমন, মঈনের সহযোগী লিটন, মো. ফালান মিয়া, মো. রুবেল, মো. স্বপন কাজী ও মো. শাওন হোসেন।
গত ১০ এপ্রিল ঢাকার শ্যামলীতে ডা. কামরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে যুবদল নেতার পরিচয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে হাসপাতালটির অস্ত্রোপচারকক্ষের ইনচার্জ আবু হানিফ এ ঘটনায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন।
চাঁদাবাজির ঘটনার খবর গণমাধ্যমে আসার পর ওই দিন রাতেই যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সিকেডি হাসপাতালে যান। তারা ঘটনায় জড়িত মো. মঈন উদ্দিনসহ চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। গত শনিবার বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাব-২ জানায়, চাঁদাবাজির ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই তারা সিকেডি হাসপাতালে যায় এবং তদন্ত শুরু করে। তারা মামলার বাদীর বক্তব্য গ্রহণ করে এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযুক্ত মঈন উদ্দিনের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে র্যাবের বিভিন্ন ব্যাটালিয়নের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে সুমন ও লিটন নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ফালান মিয়া, রুবেল, মো. স্বপন কাজী ও মো. শাওন হোসেনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব আরো জানায়, চাঁদাবাজির মূলহোতা মঈন উদ্দিন মঈনকে নড়াইল জেলার কালিয়া থানার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ঢাকা/এমআর/ইভা
হামসহ শিশুদের টিকা নিয়ে দুদকে অভিযোগ: অধ্যাপক ইউনূস ও সাবেক উপদেষ্টা নূরজাহানের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি