ঢাকা     শুক্রবার   ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ১৭ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

বাজাজের সিএনজি চালিত মোটরসাইকেল বিক্রিতে ধস 

মটো কর্নার ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:০২, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ২১:০৩, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
বাজাজের সিএনজি চালিত মোটরসাইকেল বিক্রিতে ধস 

‘গেম চেঞ্জার’ এবং ‘বিশ্বের প্রথম সিএনজি মোটরসাইকেল’ আখ্যা দিয়ে ব্যাপক ধুমধামের মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ভারতীয় বাজারে এসেছিল বাজাজের ১২৫ সিসির বাইক ফ্রিডম সিএনজি। শুরুতে ব্যাপক বিক্রি হলেও ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বাইকটির বিক্রি সর্বকালের সর্বনিন্মে পৌঁছেছে।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাজারে আসার পর বাজাজ অটো সিএনজি চালিত বাইকটির ১ হাজার ৯৩৩ ইউনিট বিক্রি করে। ওই বছরের আগস্টে বিক্রির পরিমাণ প্রায় চারগুণ বৃদ্ধি পায়- ৯ হাজার ২১৫ ইউনিট। ২০২৪ সালের অক্টোবরে দীপাবলির উৎসবের মরশুমে বাইকটি সর্বোচ্চ মাসিক বিক্রির রেকর্ড করে ৩০ হাজার ৫১ ইউনিট। তবে ২০২৪ সালের নভেম্বরে বাজাজ ফ্রিডম সিএনজির বিক্রি হয় মাত্র ৫ হাজার ৯৫৩ ইউনিট। এর ফলে ২০২৪ সালের শেষ দিকে মোট ৭০ হাজার ৯৬৪ ইউনিট বিক্রি হয়, যার মধ্যে বছরের শেষ মাসে অর্থাৎ ডিসেম্বরে ৪ হাজার ১৭৩ ইউনিট বিক্রি হয়েছিল।

আরো পড়ুন:

২০২৫ সালে ফ্রিডম সিএনজির বিক্রিতে পতনের প্রবণতা শুরু হয়। ওই বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে যথাক্রমে মাত্র ১ হাজার ৩৪৫ ইউনিট, ১ হাজার ২৭ ইউনিট এবং ১ হাজার ৩৯৪ ইউনিট বিক্রি হয়। ওই বছরের এপ্রিল বিক্রি পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়। ওই সময় বিক্রয় সংখ্যা আরো কমে  ৯৯৩ ইউনিটে দাঁড়ায়। শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ফ্রিডম ১২৫ সিএনজির কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়া হয়। ওই মাসে বিক্রি সর্বকালের সর্বনিম্ন ৫১৫ ইউনিটে নেমে আসে। ২০২৫ সালের সিএনজি বাইকটি মাত্র ১৮ হাজার ২১৮ ইউনিট বাইক বিক্রি করতে পেরেছিল বাজাজ, যার ফলে গড়ে মাসিক বিক্রি ছিল মাত্র ১ হাজার ৫০০ ইউনিট। বাজাজ ইতিমধ্যে বাইকটির বেজ মডেলের দাম পাঁচ হাজার রুপি কমিয়েছে। অবশ্য এরপরেও বিক্রি বাড়েনি বাইকটির।

বিক্রিতে কেন এই ধস

সিএনজিচালিত এই বাইকটি লঞ্চের সময় খুব আশাব্যঞ্জক দেখাচ্ছিল। তবে ক্রেতাদের কাছে এই বাইকটি ধীরে ধীরে তার আকর্ষণ এবং আবেদন হারিয়েছে। কারণ তারা পেট্রোলচালিত মডেল এবং সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক মডেলের মতো প্রচলিত জ্বালানি বিকল্পগুলোর দিকে ঝুঁকছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইলেকট্রিক স্কুটারগুলো কেবল ফ্রিডম সিএনজির তুলনায় সস্তা নয়, বরং প্রতি কিলোমিটারে খরচও কম। চার্জিং পরিকাঠামো ধারাবাহিকভাবে উন্নত হওয়ায় মানুষকে বৈদ্যুতিক যানবাহনে স্থানান্তরিত হতে উৎসাহিত করছে।
 

ঢাকা/শাহেদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়