RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     সোমবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২১ ||  মাঘ ৪ ১৪২৭ ||  ০৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

‘অর্ডার থাকলে কারখানা খোলা, নিশ্চিত করতে হবে শ্রমিক সুরক্ষা’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:৩২, ৪ এপ্রিল ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
‘অর্ডার থাকলে কারখানা খোলা, নিশ্চিত করতে হবে শ্রমিক সুরক্ষা’

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতেও বিদেশিদের কাজের ফরমায়েশ থাকলে কারখানা খোলা রাখা যাবে বলে সাফ জানিয়েছেন বিজিএমইএর সভাপতি ড. রুবানা হক। তবে এক্ষেত্রে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ‍সুরক্ষার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

শনিবার এক অডিও বার্তায় এসব কথা জানান বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি।

৫ এপ্রিল থেকে পোশাক কারখানা খোলা থাকার বিষয়ে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘করোনা মহামারির এ সময়ে শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার বিষয়ে কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর একটি নির্দেশনা দিয়েছে।   সেখানে স্পষ্ট লেখা আছে, যে সমস্ত রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ আছে এবং যারা করোনার সরঞ্জামাদি, মাস্ক ও চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামসহ (পিপিই) করোনা প্রতিরোধী সামগ্রী তৈরি করছে, এমন কারখানাগুলো খোলা রাখতে পারবে। তবে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে।’

রুবানা হক বলেন, ‘মার্চ মাসের বেতন নিয়ে কোনো অনিহা থাকা যাবে না। মার্চ মাসের বেতন শ্রমিকরা পাবেনই, এটা নিশ্চিত করতে চাই। ’

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘এ সময়ে শ্রমিক কোনো যৌক্তিক কারণে কারখানায় উপস্থিত না থাকেন, তাহলে মানবিক বিবেচনায় তার চাকরি যাবে না। এটি আমাদের বিজিএমইএর প্রত্যেকটি সদস্যদের কাছে অনুরোধ। আমি আশা করি পোশাক মালিকরা এটি শুনবেন।’

এর আগে কারখানা খোলার বিষয়ে একই নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ নীটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) । গত ২ এপ্রিল এক বার্তায় বিকেএমইএ সংগঠনের সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান বলেন, ‘৪ এপ্রিলের পর থেকে কারখানা চালু রাখবেন কিনা বন্ধ রাখবেন, এটি আপনার সিদ্ধান্ত। যদি কেউ কারখানা চালু রাখেন, তাহলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে আপনার শ্রমিকদেরকে রক্ষা করবেন। স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিধি মেনে কারখানা পরিচালনা করবেন।’

গত ২৭ মার্চ বিজিএমইএ’র ঘোষণায় তেরী পোশাকখাতের কারাখানাগুলো বন্ধের পাশাপাশি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকা‌বিলায় যেসব কারখানা মাস্ক, চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই), হ্যান্ডওয়াস, ওষুধ এবং আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ বহাল—এমন রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল।


ঢাকা/এম এ রহমান/সাজেদ

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়