ঢাকা     বুধবার   ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  ফাল্গুন ১২ ১৪৩২ || ৭ রমজান ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

১৫ মার্চের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব না দিলে জেল-জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১২:৩০, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ১২:৩৩, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৫ মার্চের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব না দিলে জেল-জরিমানা

ফাইল ফটো

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া সব প্রার্থীকে আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল না করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ডের মুখে পড়তে হতে পারে তাদের।

ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের নামসহ গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সব প্রার্থীকে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হয়। সে হিসাবে ১৫ মার্চ শেষ দিন।

আরো পড়ুন:

ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব এ এস এম ইকবাল হাসান বলেন, “নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব গ্রহণ করে আগামী ২৫ মার্চের মধ্যে তা নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

আইনে যা আছে:
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২–এর অনুচ্ছেদ ৪৪গ(১) অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব (ফরম–২২) দাখিল করতে হবে। নির্বাচনি এজেন্ট নিয়োগ না থাকলে প্রার্থী নিজেই এজেন্ট হিসেবে গণ্য হবেন।

এ ছাড়া, নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৩১ অনুসারে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাসহ রিটার্ন জমা দিতে হবে এবং অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হবে।

আইন অনুযায়ী বিজয়ী, পরাজিত ও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্যই ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। কোনো ব্যয় না হলেও নির্ধারিত ফরমে ‘শূন্য’ উল্লেখ করে তা জমা দিতে হবে।

নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন যথাযথভাবে দাখিল না করলে বা সংশ্লিষ্ট আদেশ লঙ্ঘন করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ৭৪ অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রে দোষী প্রার্থীকে সর্বোচ্চ সাত বছর এবং সর্বনিম্ন দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

বিধান অনুযায়ী, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের এ বিষয়ে অবহিত করার দায়িত্ব রিটার্নিং কর্মকর্তার। লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও ক্ষমতা তার রয়েছে।

ঢাকা/এমএসবি/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়