৩ শর্তে দিনে ৫ লিটার তেল পাবে রাইড শেয়ারের মোটরসাইকেল
ফাইল ফটো
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় দেশে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি দিচ্ছে সরকার। তবে বিশেষ বিবেচনায় প্রতিটি রাইড শেয়ার মোটরসাইকেল চালকরা এখন থেকে ৫ লিটার অকটেন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানয়
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বিদেশ থেকে আমদানি কার্যক্রম বা সূচি নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে পার্সেল দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের সাময়িকভাবে প্রধান স্থাপনা থেকে সারাদেশের সব ডিপোতে নিয়মিতভাবে রেলওয়াগণ বা ট্যাংকারের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে।
রাইড শেয়ার মোটরসাইকেল চালকদের ৫ লিটার অকটেন নিতে হলে মানতে হবে যে তিন শর্ত
১. ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার ভোক্তাকে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরণ, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে।
২. ফিলিং স্টেশন থেকে প্রতিবার জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ/বিলের মূল কপি জমা দিতে হবে।
৩. মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং চালকের তথ্যাদি রাইড শেয়ারিং অ্যাপসের সঙ্গে যাচাইপূর্বক জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল ক্রয় বা বিক্রয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনগত অপরাধ। তাছাড়া, দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যে প্রতিমাসের শুরুতে সরকার নির্ধারণ করা হয়। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার এখনো কোনোরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। এ অবস্থায় দেশের সব ভোক্তা বা ডিলারদের বর্ণিত নির্দেশনা অনুসরণ করে দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়।
ঢাকা/রায়হান/ইভা