ঢাকা     রোববার   ১৫ মার্চ ২০২৬ ||  চৈত্র ২ ১৪৩২ || ২৫ রমজান ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করায় ক্ষোভ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:৫৩, ১৫ মার্চ ২০২৬   আপডেট: ১৭:৫০, ১৫ মার্চ ২০২৬
সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করায় ক্ষোভ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করায় জাতীয় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। 

তিনি বলেছেন, “১০ নম্বর অর্ডার অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধিবেশন ডাকার বিধান থাকলেও তা মানা হয়নি।”

আরো পড়ুন:

রবিবার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলীয় নেতা এ কথা বলেন। 

স্পিকার অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে সংবিধান সংস্কারের আইনি বাধ্যবাধকতা ও বর্তমান স্থবিরতা তুলে ধরেন ডা. শফিকুর রহমান। 

তিনি বলেন, “১০ নম্বর অর্ডারে পরিষ্কার বলা হয়েছে, সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ পঞ্জিকা দিবসের মধ্যে যে পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করা হয়, অনুরূপ পদ্ধতিতে পরিষদের প্রথম অধিবেশনও আহ্বান করতে হবে। আজ সেই ৩০তম দিন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী সংসদ আহ্বান করেন। আমরা ধরে নিচ্ছি, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শেই হয়ত রাষ্ট্রপতি এটি আহ্বান করবেন, কিন্তু সময় পার হয়ে যাচ্ছে।”

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, “দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আইন অনুযায়ী, নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরা একইসঙ্গে জাতীয় সংসদের সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আমরা এই সুযোগটি কাজে লাগাতে চাই। বিধি অনুযায়ী, শপথ গ্রহণের পর আমরা বিরোধী দলীয় ৭৭ জন সদস্য নির্ধারিত তফসিলে স্বাক্ষরও করেছি।”

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে হবে। এর পরেই পরিষদের কার্যক্রম সমাপ্ত হবে।” 

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “আগে তো শুরু হতে হবে, তার পর সমাপ্তির প্রশ্ন। আমরা পৃথক ব্যালটে সংস্কারের জন্য ভোট নিয়েছি। এখন এই পরিষদ গঠন ও অধিবেশন আহ্বান করা আইনি বাধ্যবাধকতা।”

ঢাকা/এএএম/রফিক

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়