ঢাকা-১৭ আসনে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ব্যয় ২৩ লাখ টাকা
নির্বাচনি জনসভায় তারেক রহমান (ফাইল ফটো)
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন থেকে সোমবার (৩০ মার্চ) এ তথ্য জানা গেছে।
রিটার্নে উল্লেখ করা ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রচারে ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, পরিবহন বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনি ক্যাম্প পরিচালনায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ খাতে সর্বোচ্চ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে খরচ হয়েছে ৬৬ হাজার টাকা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণার জন্য ব্যয় হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা; যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন।
আইন অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব (ফরম-২২) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাসহ এই রিটার্ন জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়।
বিজয়ী, পরাজিত ও বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সব প্রার্থীর জন্যই ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। কোনো ব্যয় না হলে ‘শূন্য’ উল্লেখ করে তা জমা দিতে হয়।
নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন যথাযথভাবে দাখিল না করলে বা বিধান লঙ্ঘন করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ৭৪ অনুযায়ী, দোষী প্রার্থীকে সর্বোচ্চ সাত বছর এবং সর্বনিম্ন দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের এ বিষয়ে অবহিত করার দায়িত্ব রিটার্নিং কর্মকর্তার ওপর বর্তায় এবং লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতাও তার রয়েছে।
ঢাকা/এমএসবি/রফিক
‘জুলাই যোদ্ধা সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ বিল আকারে পাসের বিষয়ে ঐকমত্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী