ঢাকা     বুধবার   ০৬ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ২৩ ১৪৩৩ || ১৮ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

১০ হাজার অস্ত্র উদ্ধারে ডিসিদের কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:৩১, ৬ মে ২০২৬   আপডেট: ১৬:৩২, ৬ মে ২০২৬
১০ হাজার অস্ত্র উদ্ধারে ডিসিদের কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন,“দেশজুড়ে অবৈধ ও অর্পিত অস্ত্রের বিস্তার ঠেকাতে নতুন করে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। বিশেষ করে লাইসেন্সধারী হয়েও জমা না দেওয়া আগ্নেয়াস্ত্রগুলো দ্রুত উদ্ধারকে এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।”

বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে বিস্তারিত বলেন তিনি।

আরো পড়ুন:

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিগত সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্সকৃত অস্ত্র এখনও জমা পড়েনি। নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার পরও এসব অস্ত্র মাঠ পর্যায়ে থাকার বিষয়টিকে নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখছে সরকার। ফলে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে- অস্ত্রগুলো দ্রুত শনাক্ত, উদ্ধার ও প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত যেসব অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর একটি বড় অংশ পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় জেলা পর্যায়ের কমিটি কাজ করবে এবং যেসব লাইসেন্স নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে প্রমাণ মিলবে, সেগুলো বাতিল করে অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হবে। তবে পুরোনো বৈধ লাইসেন্সধারীদের ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে অস্ত্র ফেরত দেওয়ার সুযোগ রাখা হবে।

অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে আরো কয়েকটি খাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মাদক, চাঁদাবাজি এবং অনলাইন জুয়ার মতো অপরাধ দমনে মাঠ প্রশাসনকে কঠোরভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অর্থপাচার ও সামাজিক অবক্ষয় ঠেকাতে নতুন আইন প্রণয়নের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব নয়। তাই মাঠপর্যায়ে সমন্বয় বাড়িয়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।”

ঢাকা/আসাদ/সাইফ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়