Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৯ শা'বান ১৪৪২

জাল নোটে জড়িতদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, শিগগিরই আইন

কেএমএ হাসনাত || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:৩০, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৪:৩৬, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১
জাল নোটে জড়িতদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, শিগগিরই আইন

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রেখে জালনোট ব্যবহার প্রতিরোধে আইন প্রণয়ের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শিগগিরই এই আইন প্রণয়ন হচ্ছে। অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ-সূত্রে এই তথ‌্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, আইনের একটি খসড়া প্রণয়নের জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ‘প্রস্তাবিত জাল মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ আইন, ২০২১’ সম্পর্কে স্টেকহোল্ডারদের অভিমত বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে। স্টেকহোল্ডারদের অভিমত পাওয়ার পর আইনের খসড়া চূড়ান্ত করা হবে।

জানা গেছে, জাল নোটের শক্ত বা নরম কপি থাকা, জাল বা আসল মুদ্রার বিষয়ে গুজব ছড়িয়ে  দেওয়া, নতুন বা পুরনো মুদ্রা থেকে মুনাফা অর্জন করা এবং প্রতারণার যেকোনও উদ্দেশ্য নিয়ে মুদ্রা কেনা-বেচা করাও প্রস্তাবিত আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

প্রস্তাবিত আইনে প্রথমবারের অপরাদের জন‌্য ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে। দ্বিতীয়বারের  অপরাধের জন‌্য ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে।

সভায় আইনে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ডিজিটাল কারেন্সি, ই-কারেন্সি ও ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কিত অপরাধ নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রস্তাবিত আইন সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের আইনি অভিমত নিতে বলা হয়েছে।  ওই অভিমত ২০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন আকারে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘জাল নোটধারী কেউ যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মুখোমুখি হন, তাহলে তাকে মোট জাল মুদ্রার অনুপাতে জরিমানার বিধানও রাখা হবে। জাল নোট তৈরি ও বিতরণের সঙ্গে জড়িত যে কেউ বারবার অপরাধ করলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা পর্যন্ত বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।’

সূত্র জানায়, সভায় আর্থিক প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের নানা ধরনের হয়রানি নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে অপরাধ দমনে বিদ্যমান আইন নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

/হাসনাত/এনই

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে