ঢাকা, রবিবার, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

ভারতীয় পেসে অসহায় বাংলাদেশ

আবু হোসেন পরাগ : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১১-১৪ ৯:৩১:৩৫ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১১-১৫ ৯:০৩:১৭ এএম
ছবি: মিলটন আহমেদ

ইন্দোর টেস্টে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৫০ রানে অলআউট হয়েছে। জবাবে ভারত তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ১ উইকেট হারিয়ে ৮৬ রান তুলে প্রথম দিন শেষ করেছে। বাংলাদেশের চেয়ে এখনো তারা ৬৪ রানে পিছিয়ে রয়েছে।

ক্রিজে আছেন চেতেশ্বর পূজারা ৪৩ রান নিয়ে ও মায়াঙ্ক আগারওয়াল ৩৭ রানে। তারা দুজন আগামীকাল শুক্রবার সকালে আবার ব্যাট করতে নামবেন। দ্বিতীয় উইকেটে পূজারা ও আগারওয়াল দুজন ৭২ রান সংগ্রহ করেছেন। যেখানে পূজারার অবদান ৪৩ ও আগারওয়ালের অবদান ২৯।

দলীয় ১৪ রানের মাথায় আবু জায়েদ রাহীর বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত শর্মা (৬)।

স্কোর: ৮৬/১ (২৬ ওভার)।

পূজারা-আগারওয়ালের অর্ধশত রানের জুটি :

দলীয় ১৪ রানেই রোহিত শর্মা আউট হওয়ার পর চেতেশ্বর পূজারা ও মায়াঙ্ক আগারওয়াল টানছেন ভারতকে। ইতিমধ্যে তারা ৫৯ রানের ‍জুটিও গড়েছেন। যেখানে পূজারার অবদান ৩৮ ও আগারওয়ালের অবদান ২১।

রোহিতকে ফেরালেন রাহী

উইকেটে টিকে গেল রোহিত শর্মা কতটা ভয়ংকর হতে পারে তা জানা আছে সবারই। তাইতো বোলিংয়ের শুরুতেই আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যানকে ফেরালেন পেসার আবু জায়েদ রাহী।  ডানহাতি পেসারের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ভারতীয় ওপেনার। তার আউটের সময় ভারতের রান ১ উইকেটে ১৪।  

১৫০ রানে অলআউট বাংলাদেশ

উমেশ যাদবের আগের ওভারে রান আউট হয়েছিলেন তাইজুল ইসলাম। উমেশের পরের ওভারে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে বোল্ড হয়েছেন ইবাদত হোসেন। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে গেছে ১৫০ রানেই।

পুরো ইনিংসেই ভারতীয় পেসারদের বোলিংয়ের জবাব খুঁজে পাননি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। ৩১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ৬৮ রানের একটা জুটি গড়েছিলেন অধিনায়ক মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহিম। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি ২৫ রানের! ৫১ রানের মধ্যে বাংলাদেশ হারায় শেষ ৬ উইকেট!

সর্বোচ্চ ৪৩ রান আসে মুশফিকের ব্যাট থেকে। মুমিনুল করেন ৩৭ রান। ২৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ভারতের সেরা বোলার মোহাম্মদ শামি। অন্য দুই পেসার ইশান্ত শর্মা ও উমেশ নেন ২টি করে উইকেট। ২টি উইকেট পেয়েছেন অফ স্পিনার  রবিচন্দ্রন অশ্বিনও।

তিন বলে তিন উইকেট

চা বিরতির আগে শেষ দুই বলে মোহাম্মদ শামির শিকার হয়ে ফিরেছিলেন মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। বিরতির পর ইশান্ত শর্মার প্রথম বলে আউট হলেন লিটন দাস। টানা তিন বলে বাংলাদেশ হারাল তিন উইকেট!

স্লিপে বিরাট কোহলির নিচু ক্যাচে পরিণত হওয়ার আগে ৩১ বলে ২১ রান করেন লিটন। তখন ১৪০ রানে ৮ উইকেট নেই বাংলাদেশের। উইকেটে আছেন আবু জায়েদ রাহী ও তাইজুল ইসলাম।

বিপর্যয়ে বাংলাদেশ

প্রথম সেশনে ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশ দ্বিতীয় সেশনে উইকেট হারিয়েছে আরও ৪টি। যার ২টি চা বিরতির আগে শেষ দুই বলে। চা বিরতির সময় ৫৪ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৪০ রান। লিটন দাস ২১ রানে অপরাজিত আছেন।

শামির আরেকটি

মোহাম্মদ শামির আরেকটি আঘাত। পরপর দুই বলে নিলেন দুই উইকেট। এবার তার শিকার মেহেদী হাসান মিরাজ।

শামির ফুল লেংথ বল সোজা আঘাত হানে মিরাজের প্যাডে। এলবিডব্লিউয়ের আবেদনে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। নন স্ট্রাইকার লিটন দাসের সঙ্গে আলোচনা করেও শেষ পর্যন্ত রিভিউ নেননি মিরাজ। তবে টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, রিভিউ নিলে বেঁচে যেতেন তিনি, বল লেগ স্টাম্প মিস করে যেত!  

শামির শিকার মুশফিক

তিনবার জীবন পেয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারলেন না মুশফিকুর রহিম। মোহাম্মদ শামির দারুণ এক বলে বোল্ড হয়েছেন তিনি। ১০৫ বলে ৪ চার ও এক ছক্কায় মুশফিক করেন ৪৩ রান।

বাজে শটে আউট মাহমুদউল্লাহ

রবিচন্দ্রন অশ্বিনের আগের ওভারে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে গিয়েছিলেন ফিল্ডারের ব্যর্থতায়। মাহমুদউল্লাহ সুযোগটা কাজে লাগাতে পারলেন না। উল্টো অশ্বিনের পরের ওভারে আউট হলেন বাজে এক শট খেলে।

অফ স্পিনারকে স্টাম্প ছেড়ে দিয়ে সুইপ করতে গিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। বলের লাইন মিস করে  শরীরের পেছন দিয়ে হন বোল্ড।

মাহমুদউল্লাহ ১০ রানে ফেরার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১১৫। ৪০ রানে ব্যাট করছেন মুশফিকুর রহিম। সাত নম্বরে নেমেছেন লিটন দাস। এই দুজনের পর আর কোনো বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান নেই।

 

জীবন পেলেন মাহমুদউল্লাহ

অজিঙ্কা রাহানের আরেকটি ক্যাচ মিস। আরেকবার উইকেটবঞ্চিত রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ব্যাটসম্যান এবার মাহমুদউল্লাহ।

অফ স্পিনারের বলটা মাহমুদউল্লাহর ব্যাট আর উইকেটকিপারের প্যাড ছুঁয়ে গিয়েছিল স্লিপে। বাঁ দিকে বলে হাত লাগিয়েও ক্যাচটা ধরতে পারেননি রাহানে। তখন ৭ রানে ব্যাট করছিলেন মাহমুদউল্লাহ। অশ্বিনের বলেই তিনটি ক্যাচ ফেললেন রাহানে!  

বল ছেড়ে বোল্ড মুমিনুল

জমাট ব্যাটিংয়ে দারুণ খেলছিলেন। পেসারদের পাশাপাশি স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনকেও সামলাচ্ছিলেন ভালোভাবেই। সেই মুমিনুল হক বোল্ড হলেন বল ছেড়ে দিয়ে!

অফ স্পিনার অশ্বিনের বলটা টার্ন করে বেরিয়ে যাবে বলে মনে করেছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। কিন্তু সেটি ভেতরে ঢুকে আঘাত হানে অফ স্টাম্পে।  

৮০ বলে ৬ চারে ৩৭ রান করেন মুমিনুল। তার বিদায়ে ভাঙে ৬৮ রানের জুটি। তখন ৩৭.১ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৯৯ রান। ৩৪ রানে ব্যাটিং করা মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ।

মুমিনুল-মুশফিক জুটির পঞ্চাশ

রবিচন্দ্রন অশ্বিনের পরপর দুই বলে ছক্কা ও চার হাঁকালেন মুশফিকুর রহিম। তার ছক্কায় পূর্ণ হয়েছে চতুর্থ উইকেট জুটির পঞ্চাশ, ৯২ বলে। ৩ উইকেট হারানোর পর মুশফিক ও মুমিনুলের এই জুটিতে প্রতিরোধ গড়েছে বাংলাদেশ।

৩৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৮৮ রান। মুমিনুল ও মুশফিক; দুজনই ৩০ রানে ব্যাট করছেন তখন।

 

আবার রক্ষা মুশফিকের

লাঞ্চ বিরতি থেকে ফিরে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট পেতে পারত ভারত। তবে মুশফিকুর রহিমের ক্যাচ ফেলেছেন অজিঙ্কা রাহানে।

রবিচন্দ্রন অশ্বিনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল ডিফেন্স করেছিলেন মুশফিক। ব্যাটের কানায় লেগে ক্যাচ যায় দ্বিতীয় স্লিপে। কিন্তু বুক উচ্চতার ক্যাচটা হাতে জমাতে পারেননি রাহানে। ১৫ রানে জীবন পান মুশফিক। এর আগে ৩ রানে একবার জীবন পেয়েছিলেন তিনি।

প্রথম সেশন ভারতের

প্রথম দিনের প্রথম সেশন পুরোপুরি নিজেদের করে নিয়েছে ভারত। লাঞ্চের আগে বাংলাদেশ হারিয়েছে তিন ব্যাটসম্যানকে। অধিনায়ক মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহিম জীবন না পেলে ফিরে যেতেন তারাও।

লাঞ্চ বিরতির সময় ২৬ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৬৩ রান। মুমিনুল ৫৬ বলে ২২ ও মুশফিক ২২ বলে ১৪ রানে অপরাজিত আছেন। দুজনের অবিচ্ছিন্ন চতুর্থ উইকেট জুটিতে আট ওভারে এসেছে ৩২ রান।

জীবন পেলেন মুশফিক

উমেশ যাদবের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে জায়গায় দাঁড়িয়ে খোঁচা দিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। ব্যাটের কানায় লেগে ক্যাচ যায় তৃতীয় স্লিপে। কিন্তু ক্যাচটা ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির হাত ফসকে বেরিয়ে যায়। ৩ রানে জীবন পান মুশফিক।

 

এবার রক্ষা হলো না মিথুনের

একটু আগে উমেশ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হতে হতেও বেঁচে গিয়েছিলেন মোহাম্মদ মিথুন। কিন্তু এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না। এলবিডব্লিউ হলেন মোহাম্মদ শামির বলে।

ডানহাতি পেসারের ফুল লেংথ বল ফরোয়ার্ড ডিফেন্স করেছিলেন মিথুন। কিছুটা দেরিতে সুইং করা বল আঘাত হানে তার প্যাডে। ভারতের খেলোয়াড়দের জোরালো আবেদনে আঙুল তুলে দিতে সময় নেননি আম্পায়ার।

রিভিউ নেবেন কি না, এ নিয়ে অন্য প্রান্তে থাকা মুমিনুল হকের সঙ্গে আলোচনা করেন মিথুন। তবে অধিনায়ক তাকে রিভিউ না নেওয়ারই পরামর্শ দেন। পরে টিভি রিপ্লেতেও দেখা যায়, রিভিউ নিলে কোনো লাভ হতো না।

৩৬ বলে একটি চারে মিথুন করেন ১২ রান। তখন ১৮ ওভারে ৩১ রানে ৩ উইকেট নেই বাংলাদেশের। মুমিনুলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মুশফিকুর রহিম।

বেঁচে গেলেন মুমিনুল

রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে কাট করতে গিয়েছিলেন মুমিনুল হক। ব্যাটের কানায় লেগে বল যায় প্রথম স্লিপে। অজিঙ্কা রাহানে ডান দিকে হাত বাড়িয়েও শেষ পর্যন্ত কঠিন ক্যাচটা ধরতে পারেননি। তখন ৩ রানে ব্যাট করছিলেন মুমিনুল।

ভারতের ব্যর্থ রিভিউ

পানি পানের বিরতির পর প্রথম ওভার। উমেশ যাদবের বলে মোহাম্মদ মিথুনের বিরুদ্ধে এলবিডব্লিউয়ের আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। বল আগে ব্যাটে না প্যাডে লেগে গিয়েছিল, সেটা নিয়ে সংশয় ছিল।

ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি নেন রিভিউ। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, বল আগে প্যাডেই লেগেছিল। স্টাম্পেও আঘাত হানত। তবে ইমপ্যাক্ট ছিল বাইরে, আম্পায়ারস কল হওয়ায় বেঁচে যান মিথুন।

 

প্রথম ঘণ্টায় নড়বড়ে বাংলাদেশ

টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে টেস্টের প্রথম ঘণ্টায় সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। নতুন বলে দুই ভারতীয় পেসার ইশান্ত শর্মা ও উমেশ যাদবের সামনে শুরু থেকেই নড়বড়ে ছিলেন ইমরুল কায়েস ও সাদমান ইসলাম। বাংলাদেশ রানের খাতাই খুলতে পারে চতুর্থ ওভারে গিয়ে।

এরপর ইমরুল ও সাদমান ফেরেন পরপর দুই ওভারে। শুরুতে দুই ওপেনারকে হারানোর ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন অধিনায়ক মুমিনুল হক ও মোহাম্মদ মিথুন।

প্রথম পানি পানের বিরতির সময় ১৩ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১৯ রান। মুমিনুল ও মিথুন; দুজনই ৩ রানে ব্যাট করছেন।

টিকলেন না সাদমানও

আগের ওভারে আউট হয়েছিলেন ইমরুল কায়েস। পরের ওভারে আরেকটি ধাক্কা খেল বাংলাদেশ। এবার ফিরলেন আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম।

ইশান্ত শর্মার ফুল লেংথ বল জায়গায় দাঁড়িয়ে শরীর থেকে দূরে ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন সাদমান। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে ক্যাচ যায় ঋদ্ধিমান সাহার গ্লাভসে।

ইমরুলের মতো সাদমানও করেছেন ৬ রান। স্কোর ১২ রেখে বাংলাদেশ হারাল দুই ওপেনারকে। মুমিনুল হক ও মোহাম্মদ মিথুন উইকেটে আছেন।

উমেশের শিকার ইমরুল

শুরু থেকে বেশ কয়েকবার অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছিলেন। কিন্তু ইমরুল কায়েসের শেষ রক্ষা হলো না। উমেশ যাদবের কিছুটা লাফিয়ে ওঠা বল ডিফেন্স করেছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে তৃতীয় স্লিপে সহজ ক্যাচ যায় অজিঙ্কা রাহানের হাতে।

ইমরুল ১৮ বলে করেছেন ৬ রান। তখন ৬ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১২ রান। উইকেটে সাদমান ইসলামের সঙ্গী হয়েছেন মুমিনুল হক।

 

নেই মুস্তাফিজ

আগের দিন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি বলেছিলেন, টেস্ট সিরিজে তাদের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারেন মুস্তাফিজুর রহমান। তবে কোহলিদের জন্য ভালো খবর, প্রথম টেস্টে মুস্তাফিজের মুখোমুখি হতে হচ্ছে না তাদের।

টি-টোয়েন্টি সিরিজে উইকেটশূন্য থাকা মুস্তাফিজ জায়গা পাননি ইন্দোর টেস্টের একাদশে। দুই পেসার হিসেবে আছেন আবু জায়েদ রাহী ও ইবাদত হোসেন। স্পিনে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গী তাইজুল ইসলাম। একদশের বাকি সাতজন ব্যাটসম্যান।

বাংলাদেশ একাদশ

সাদমান ইসলাম, ইমরুল কায়েস, মোহাম্মদ মিথুন, মুমিনুল হক (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, লিটন কুমার দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, আবু জায়েদ রাহী ও ইবাদত হোসেন।

তিন পেসারের ভারত

ভারত একাদশ সাজিয়েছে তিন পেসার নিয়ে। ইশান্ত শর্মার সঙ্গে আছেন মোহাম্মদ শামি ও উমেশ যাদব। স্পিনে হাত ঘোরাবেন রবীন্দ্র জাদেজা ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

ভারত একাদশ

রোহিত শর্মা, মায়াঙ্ক আগারওয়াল, চেতেশ্বর পুজারা, বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), অজিঙ্কা রাহানে, রবীন্দ্র জাদেজা, ঋদ্ধিমান সাহা (উইকেটকিপার), রবিচন্দ্রন অশ্বিন, ইশান্ত শর্মা, মোহাম্মদ শামি, উমেশ যাদব।

 

টস

অধিনায়কত্বের অভিষেকে টস ভাগ্য পাশে পেলেন মুমিনুল হক। টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। বাংলাদেশের ১১তম টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হলো মুমিনুলের।

নতুন অধ্যায়ের শুরুতে কঠিন চ্যালেঞ্জ

সবশেষ সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকাকে স্রেফ গুঁড়িয়ে দিয়েছে। গত কয়েক বছরে দেশের মাটিতে টেস্টে হয়ে উঠেছে প্রায় অপরাজেয়। ২০১৩ সাল থেকে ৩২ টেস্টের ২৬টিই জিতেছে, ড্র করেছে পাঁচটি, হেরেছে মাত্র একটি। জিতেছে টানা ১১টি সিরিজ। পরিসংখ্যানই বলছে দেশের মাটিতে টেস্টে ভারত কতটা অপ্রতিরোধ্য। সেই ভারতের সামনে এবার বাংলাদেশ।

সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালকে ছাড়া টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতে উজ্জীবিত হয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে জাগিয়েছিল সিরিজ জয়ের সম্ভাবনাও। তবে টেস্টে বিরাট কোহলির ভারতের সামনে কঠিন পরীক্ষাই দিতে হবে বাংলাদেশকে। এই ম্যাচ দিয়েই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে যাত্রা শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের। নেতৃত্বের অভিষেক হচ্ছে মুমিনুল হকের।

 

ঢাকা/পরাগ

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন