ঢাকা     সোমবার   ০৪ জুলাই ২০২২ ||  আষাঢ় ২০ ১৪২৯ ||  ০৪ জিলহজ ১৪৪৩

মিলার-পান্ডিয়ার ব্যাটে ফাইনালে গুজরাট

ক্রীড়া ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০০:১২, ২৫ মে ২০২২   আপডেট: ০১:১২, ২৫ মে ২০২২
মিলার-পান্ডিয়ার ব্যাটে ফাইনালে গুজরাট

প্রথমবার আইপিএলে অংশ নিয়েই ফাইনালে উঠেছে গুজরাট টাইটান্স। মঙ্গলবার রাতে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে ডেভিড মিলার ও হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাটে ভর করে ৭ উইকেটে রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গুজরাট।

লিগপর্বে ১৪ ম্যাচ থেকে সর্বোচ্চ ২০ পয়েন্ট সংগ্রহ করে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ছিল তারা। এবার প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচ জিতে ফাইনালে পৌঁছে গেল আইপিএলের নবাগত ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

এদিন রাজস্থন আগে ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৮ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করে। জবাবে ৩ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে জিতে যায় গুজরাট। আর সেটা সম্ভব হয় মিলার ও পান্ডিয়ার ব্যাটে ভর করে। চতুর্থ উইকেট জুটিতে তারা দুজন ১০ ওভারে ১০.৬ গড়ে ১০৬ রান তুলে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।

মিলার ৩৮ বলে ৩টি চার ৫ ছক্কায় ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন। তার সঙ্গে ২৭ বলে ৫ চারে ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন পান্ডিয়া।

তার আগে রান তাড়া করতে নেমে শূন্যরানে উইকেট হারায় গুজরাট। ট্রেন্ট বোল্টের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে রানের খাতা খোলার আগে আউট হন ঋদ্ধিমান সাহা। সেখান থেকে শুভমান গিল ও ম্যাথু ওয়েড ৭২ রানের জুটি গড়েন। এরপর ২১ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৩৫ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন গিল। ওয়েডও বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। ৮৫ রানের মাথায় ৬ চারে ৩৫ রান করে ওবেদ ম্যাককয়ের শিকারে পরিণত হয়ে মাঠ ছাড়েন অজি এই ব্যাটসম্যান।

এর পরের গল্পটুকু কেবল মিলার ও পান্ডিয়ার। সেখান থেকে পরবর্তী ১০ ওভারে তাদের আর বিভ্রান্ত করতে পারেননি রাজস্থানের বোলাররা। তারা দুজন অবিচ্ছিন্ন থেকে ১০৬ রানের জুটি গড়ে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৬ রান প্রয়োজন ছিল গুজরাটের। ওভারটি করতে আসেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা। তার প্রথম বলে ছক্কা হাঁকান মিলার। দ্বিতীয় বলেও ছয় মারেন। তাতে জয়ের জন্য শেষ ৪ বলে প্রয়োজন ছিল ৪ রান। কিন্তু তৃতীয় বলেও ছক্কা হাঁকিয়ে ৩ বল বাকি থাকতেই জয় তুলে নেন দক্ষিণ আফ্রিকান এই মারকুটে ব্যাটসম্যান। ৩৮ বলে ৩টি চার ও ৫ ছক্কায় ৬৮ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে ম্যাচসেরাও হন তিনি।

তার আগে রাজস্থানের ১৮৬ রানের ইনিংসে দুই অঙ্কের কোটায় রান পান কেবল তিনজন। তার মধ্যে জস বাটলার ৫৬ বলে ১২টি চার ও ২ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৮৯ রান করেন। ২৬ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন সঞ্জু স্যামসন। আর ২ চার ও ২ ছক্কায় ২০ রান করেন দেবদূত পাড্ডিকাল। বাকিদের রান ছিল— ৩,৪,৪,২,০।

বল হাতে গুজরাটের মোহাম্মদ শামি, যশ দয়াল, রবীশ্রীণিবাসন সাই কিশোরী ও হার্দিক পান্ডিয়া ১টি করে উইকেট নেন।

এই ম্যাচ হারলেও রাজস্থানের সামনে সুযোগ রয়েছে ফাইনালে যাওয়ার। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর মধ্যকার এলিমিনেটর ম্যাচের বিজয়ী দলের বিপক্ষে শুক্রবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ খেলবে রাজস্থান। ওই ম্যাচ জিতলে ফাইনালে আবার গুজরাটের মুখোমুখি হতে পারবে তারা।

ঢাকা/আমিনুল

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়