বিশ্বকাপে মাঠে না থাকলেও কণ্ঠে থাকছে বাংলাদেশ
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর শুরু হতে যাচ্ছে আগামীকাল। এবারের আসরে মাঠে লাল-সবুজের দল না থাকলেও, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব ঠিকই থাকছে বিশ্বমঞ্চে মাইক্রোফোনের ওপাশে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল ঘোষিত ধারাভাষ্যকার প্যানেলে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠ আতহার আলী খান।
শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ ধারাভাষ্য তালিকা প্রকাশ করে আইসিসি। ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে বিশ্বের নামকরা সাবেক ক্রিকেটার, বিশ্লেষক ও ধারাভাষ্যকারদের সমন্বয়ে গড়া হয়েছে ৪০ সদস্যের এক তারকাবহুল প্যানেল। সেই তালিকায় বাংলাদেশের একমাত্র নাম আতহার আলী খান। যাকে অনেক দর্শকই চেনেন ‘ভয়েস অব বাংলাদেশ’ হিসেবে।
আইসিসির বিবৃতিতে জানানো হয়, টুর্নামেন্টের সব ম্যাচের বিশ্ব ফিড সরবরাহ করা হবে ICC.TV-এর মাধ্যমে। বিশ্বের সব অনুমোদিত সম্প্রচার সংস্থাই এই ফিড ব্যবহার করবে। ফলে দর্শকরা একই মানের ধারাভাষ্য ও বিশ্লেষণ উপভোগ করতে পারবেন যেখানেই থাকুন না কেন।
ধারাভাষ্য প্যানেলের নেতৃত্বে থাকছেন ক্রিকেটবিশ্বের পরিচিত মুখগুলো। ভারতের রবি শাস্ত্রী, ইংল্যান্ডের নাসের হুসেইন, নিউ জিল্যান্ডের ইয়ান স্মিথ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইয়ান বিশপ থাকছেন এই দলের অগ্রভাগে। তাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ।
সাবেক বিশ্বজয়ী ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। তালিকায় আছেন কুমার সাঙ্গাকারা, দিনেশ কার্তিক, কার্লোস ব্র্যাথওয়েট, স্যামুয়েল বাদ্রি ও রবিন উথাপ্পা। পাশাপাশি বিশ্লেষণে থাকবেন ওয়াসিম আকরাম, সুনীল গাভাস্কার, ম্যাথু হেইডেন, ডেল স্টেইন ও ওয়াকার ইউনিসের মতো কিংবদন্তিরা।
বর্তমান ক্রিকেটারদের মধ্য থেকেও কয়েকজন যুক্ত হচ্ছেন ধারাভাষ্যে। সদ্য বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপজয়ী অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা এবং ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস থাকছেন বিশ্লেষকের ভূমিকায়।
আইসিসির তথ্য অনুযায়ী, পুরো টুর্নামেন্টে মোট ৫৫টি ম্যাচে ধারাভাষ্য দেবেন এই প্যানেলের সদস্যরা। ম্যাচ সম্প্রচারের পাশাপাশি থাকবে প্রি-ম্যাচ শো, ইনিংস বিরতির বিশ্লেষণ, পোস্ট-ম্যাচ আলোচনা এবং দৈনিক হাইলাইটস অনুষ্ঠান সবই ICC.TV প্রযোজনায়।
বাংলাদেশ দল মাঠে না থাকলেও আতহার আলী খানের কণ্ঠে ম্যাচের প্রতিটি উত্তেজনা শুনতে পাবেন দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা। এই বিশ্বকাপে সেটাই হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে দৃশ্যমান উপস্থিতি; ব্যাট-বলের বাইরে, শব্দের ভেতর দিয়ে।
ঢাকা/আমিনুল