ডি ভিলিয়ার্সের অনুপ্রেরণায় শামীমের ‘নো লুক ৩৬০ ডিগ্রি শট’
নিউ জিল্যান্ডের জন্য শামীম ছিলেন সারপ্রাইজ প্যাকেজ। আর তার ‘নো লুক ৩৬০ ডিগ্রির’ ছক্কা তো ছিল ‘লা-জাবাব’। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান জানালেন, কিংবদন্তি ক্রিকেটার এবি ডি ভিলিয়ার্সের অনুপ্রেরণাতেই নিজের ৩৬০ ডিগ্রি শটটা খেলেছেন। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমেই এই শটে পারদর্শী হয়ে উঠেছেন হয়েছে।
প্রথম টি-টোয়েন্টির ঘটনা। নিউ জিল্যান্ডের পেসার নাথান স্মিথের বাউন্সার যেকোনো ব্যাটসম্যানই ছেড়ে দিয়ে ওয়াইড আদায় করতে চাইতেন। কিন্তু শামীম একটু নুইয়ে স্কুপ করলেন। পেছনে তাক করা শট। বলের গতির সঙ্গে শটের জোর। দুইয়ে মিলিয়ে বল গেল উইকেট সোজা দিয়ে সীমানার বাইরে।
শট খেলার পর পেছনে তাকানোর প্রয়োজনও মনে করলেন না শামীম। শট খেলার পর বুঝে গেলেন ছক্কা। এরপর ১৩ বলে ৩১ রানের ইনিংস খেলার পথে আরো একটি ছক্কা মেরেছেন স্কয়ার লেগ দিয়ে। ফাইন লেগ দিয়েও আছে তার। মাত্র ২০ মিনিট ক্রিজে ছিলেন।
এতোটুকু সময়েই শামীম নিজের করে নিয়েছিলেন দিনটা। সঙ্গে প্রতিপক্ষ শিবিরেও ধরিয়েছেন কাঁপন। তাইতো শামীমের নো লুক শট ও ৩৬০ ডিগ্রি শটের প্রশংসা করেছিলেন নিউ জিল্যান্ডের ড্যানে ক্লেভার।
বৃষ্টিতে আজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি শুরু হতে বিলম্ব হচ্ছে। ড্রেসিংরুমে অলস সময় কাটানোর ফাঁকে ব্রডকাস্ট টি স্পোর্টসে কথা বলেছিলেন শামীম। সেখানেই নিজের শট নিয়ে কথা বলেন, ‘‘[অবিশ্বাস্য ছক্কা শট] আমি অনেকদিন ধরে এ ধরনের শটের জন্য অনুশীলন করছি। আমি এবি ডি ভিলিয়ার্স থেকে অনুপ্রেরণা নেই এবং সবসময় অনুশীলনে ওই ধরনের ইম্প্রোভাইজেশন শট করার চেষ্টা করি।’’
লম্বা সময় পর মাঠে ফিরে শামীম নিজের উপযোগীতা বেশ ভালোভাবে দেখিয়েছেন। নিজের ইনিংস নিয়ে শামীম বলেছেন, ‘‘আমি যখনই ব্যাট করতে নামি, সবসময় ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করি। ওই মুহূর্তে রান দরকার ছিল এবং আমি নিজের শক্তির ওপর পুরো বিশ্বাস রেখেছিলাম, তাই সফল হতে পেরেছি।’’
বৃষ্টি মাথায় নিয়ে দুই দলের ক্রিকেটাররা আজ মাঠে এসেছেন। ড্রেসিংরুমে অবস্থান করছেন। শামীম জানালেন মাঠে নামতে মানসিকভাবে প্রস্তুত আছেন তারা,
‘‘একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের সবসময় প্রস্তুত থাকতে হয়। আবহাওয়ার ওপর আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, তাই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে, কারণ খেলা যেকোনো সময় শুরু হতে পারে।’’
ঢাকা/ইয়াসিন