ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ আষাঢ় ১৪২৬, ২৫ জুন ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

তুরস্ক-বাংলাদেশ, যৌথ বিনিয়োগ স্থাপনের আহ্বান

নাসির উদ্দিন : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৮-০২-১৪ ৫:৫৯:৫৬ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০২-১৪ ৫:৫৯:৫৬ পিএম
Walton AC 10% Discount

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) তৈরি পোশাক, চামড়া, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষিভিত্তিক শিল্প ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে তুরস্ক এবং বাংলাদেশের মধ্যে যৌথ বিনিয়োগ স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে।

পাশাপাশি তুরস্কের প্রযুক্তি ও সম্ভাবনাময় শিল্প কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরেরও আহ্বান জানায় এফবিসিসিআই।

বুধবার এফবিসিসিআই নেতারা এবং তুরস্ক-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল (টিবিবিসি) নেতাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানানো হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম (মহিউদ্দিন) ও সিনিয়র সহসভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, টিবিবিসির চেয়ারপারসন লোরা গক, বাংলাদেশে তুরস্ক দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর মুরাতইয়ারাত, টিবিবিসির সহকারী সমন্বয় কমিজ. তুলিন অ্যাভসি, এফবিসিসিআই পরিচালক রেজাউল করিম রেজনু, মো. আবু নাসের, মাসুদ পারভেজ খান ইমরান, নিজামুদ্দিন রাজেশ।

দেশের দ্রুত উন্নয়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে ৬ শতাংশ হারে অর্জিত হচ্ছে। যা গত দুই বছরে ৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ থেকে আগামী ২০২১ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে যাচ্ছে।

এ সময় বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া আকর্ষণীয় বিনিয়োগ সুবিধা যেমন, ট্যাক্স হলিডে, দ্বৈত করের ক্ষেত্রে সুবিধা, করপোরেট কর সুবিধা ইত্যাদি গ্রহণ করে তুরস্কের ব্যবসায়ীদেরকে বাংলাদেশের ‘অর্থনৈতিক জোন’ বা জোনের বাইরে সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

তুরস্ক-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারপারসন লোরা গক বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক অত্যন্ত ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন। বাংলাদেশ থেকে আরো পণ্য আমদানির বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করাসহ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরো উন্নত করতে দুই পক্ষকে নিবিড়ভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান।

শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, এফবিসিসিআই এবং টিবিবিসির মধ্যে যে সমঝোতা স্মারক ইতিপূর্বে সাক্ষরিত হয়েছে তা পর্যালোচনা করে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হবে। যার ফলে দুই দেশের সম্ভাবনাময় বাজার এবং বিনিয়োগের সম্ভাব্য খাতগুলো চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৬৩১ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য তুরস্কে রপ্তানি করে এবং তুরস্ক থেকে ২১২ দশমিক ৩০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। তুরস্কে বাংলাদেশের রপ্তানিযোগ্য পণ্যগুলো হচ্ছে ওভেন গার্মেন্টস, পাট ও পাটজাত পণ্য, নিটওয়্যার, ম্যানমেড ফিলামেন্টস অ্যান্ড স্টেপল ফাইবারস, সিরামিক পণ্য, এবং হোম টেক্সটাইল। আর তুরস্ক থেকে মূলত যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিক সামগ্রী, বস্ত্র, রাসায়নিক উপাদান, প্লাস্টিক এবং রাবার উপাদান ইত্যাদি আমদানি করা হয়।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮/নাসির/সাইফ

Walton AC
     
Walton AC
Marcel Fridge